মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

নীরেন্দ্রনাথ

কেউ বলেছে বৃষ্টি হবে,সম্ভাবনা নিম্নচাপের
আসমান আজ একাই জানে,মেঘলা আলো মনখারাপের,

ডেস্কে সকাল রোদ ছুঁয়েছে,রইল যিশু ও ফুটপাতে
চিতা, আগুন, কাগজ, কলম...নির্দেশেদের অপেক্ষাতে

কেউ পুড়েছে মৃত্যুশোকে,কেউ নীরবে বুনছে ক্ষত
কবি থাকেন আকাশ জুড়ে,কবিতারা,তারার মত

মেঘের কাছেই ক পশলা,মনখারাপের হিসেব আছে
আসমান আজ একাই জানে, অমলকান্তি রোদের কাছে

রবিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

ফিল্ম রিভিউ :: জিরো

বাউয়া আসলে এক ডাক্তার তাই তিনি গান গাইলেই মুখ বেঁকে প্যারালাইজড অনুষ্কা নরম্যাল মুখ করে গান গায়,কারন ডিরেক্টার বলেছে প্রেমের গানে সুন্দর দেখতে লাগতে হবে,বাকি সময়টায় ক্যারেক্টার। নিউরো স্পেশালিস্ট বাউয়া আবার একজন সাইকিয়াট্রিস্ট,তাই ক্যাটরিনার মানসিক সমস্যা ভুলিয়ে দেয় সহজেই,ফ্রি তে চুমুও পায়, এর থেকে পাবলিক সহজেই বুঝতে পারে আচ্ছে দিন এসেছে...শুধু ইউ পি তে,মানে বাউয়ার বাড়িতে। এর মাঝে অনুষ্কার সাথে সেক্স ও করে ফ্যালে, কিন্তু সিনেমাতে দেখায়নি সিনটা কারন বিরাট রেগে যাবে,তাছাড়া এটা ছোটো দের সিনেমা।

আম পাবলিকের চেয়ে বাউয়া আলাদা,কারন আম পাবলিক হোলি খেলে মদ খায়,বাউয়া সারারাত মদ খেয়ে সকালে হোলি খ্যালে,তাতে হোটেলের ফ্লোর নোংরা হয়,বাউয়া অনেক টাকা কম্পেনসেট করে,হোটেলের লোকজন পষ্ট বুঝতে পারে আম্বানি কন্যের বিয়েতে খাবার সার্ভ করে বাউয়া এই টাকা টা পেয়েছে। এর পরে বাউয়া বন্ধু কে নিয়ে নাসা ঘুরতে যায়,টাকা নিয়ে কোনো চিন্তাই নেই,কারন কেকেআর জিতলে দিদি বোধহয় টাকা দেয়,যাই হোক এর মাঝে সুপারস্টার ক্যাটরিনার পায়ে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রমান করে ওয়াক্সিং প্রপার হয়েছে।

ডিরেক্টার এর মাঝে হ্যাপি ভাগ যায়েগি,ব্যান্ড বাজা ইত্যাদি দেখে টেখে বাউয়া কে বিয়ের মন্ডপ থেকে ভাগিয়ে দিয়েছে।কারন বাউয়াকে এস্ট্রোনট হতেই হবে,কারন হসপিটালে কথায় কথায় পাবলিক ডাক্তার ক্যালায়। বাউয়া তাই নিল আর্মস্ট্রং হবার প্রস্তুতি নেয়। এখান থেকেই ছবির নামকরন কারন নিল মানে জিরো।
ইতিমধ্যে আমরা জেনে গেছি শ্রীদেবীর মৃত্যুর আসল কারন,জিরো ছবিতে অভিনয় করে যে কোনও সুস্থ লোক পৃথিবী ছাড়তে চাইবেন।

মাধবন এদিকে শিম্পাঞ্জি দিয়ে অনুষ্কাকে প্রপোজ করায়। স্টেজে এস্ট্রোনটের ডেমনস্ট্রেশন এর সময় শিম্পাঞ্জিটা জিরো তে তাকে অভিনয় করানো কেনো হচ্ছে, এর জন্য প্রচুর প্রতিবাদ করে। লোকজন শিম্পাঞ্জি কামড়ালে ১৪টা ইঞ্জেকশন নিতে হবে এই ভয়ে পালায়,অথচ শিম্পাঞ্জি র ট্রেনার তাকে কনট্রোল করতে আসে না,কারন সে হয়তো ব্যাকস্টেজে কলা খাচ্ছিলো,যাই হোক,শিম্পাঞ্জির যায়গায় বাউয়া মঙ্গল গ্রহে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। কারন এর আগে চন্দ্রবিন্দু "যাবোনা মঙ্গলে না" করে অফার রিফিউজ করে আমেরিকায় খেপ ধরে ফেলেছে।

এর পরে বেশ খানিকটা গোলমাল হয়। কিছু পাবলিক হলে ঘুমিয়ে পড়ে, সলমন খান হঠাৎ করে এসে খানিক নেচে নেন। শাহরুখ রাকেশ শর্মার বায়োপিকের নেট প্র‍্যাকটিস করে নেন। অনুষ্কা বিয়ের তারিখ পেরিয়ে যাবার ভয়ে বিয়েটা সেরে নেন, কয়েকটা বেশ খারাপ গান শোনা যায়,যাতে সিংগার অরিজিৎ ও অভিজিৎ হেব্বি হাততালি দেন। অনুষ্কা বিয়ের মন্ডপ ছেড়ে শাহরুখকে সি অফ করতে আসেন,হুইল চেয়ার ড্রাইভ করে। কারন উবেরে সার্জ প্রাইস চলছিলো।

শাহরুখ মঙ্গলে পৌঁছে যান,১৫ বছর এর জার্নিতে ডায়াপারে পটি করতে করতে। এই আইডিয়া কপি করে ভারতীয় রেলে টিকিটের সাথে ডায়াপার ফ্রি দেওয়া হয় ও সমস্ত টয়লেট তুলে ফ্যালা হয়, এই সিদ্ধান্তে স্মোকার রা হেব্বি প্রতিবাদ করেন। এর মাঝে নাকি রকেট ধ্বংস হয়ে যায় কিন্তু শাহরুখ বেঁচে থাকে,কারন শাহরুখ ইশারায় তারা খসাতে পারে। এই ট্যালেন্ট দেখে মার্ভেল কমিক্স বাউয়া ভাড়া করে থ্যানোসের গ্রহকে ধ্বংস করতে। ১৫ বছর শাহরুখ থাকবে না দেখে ডিরেক্টাররা স্বস্তি পায়,পাবলিকও। সবশেষে শাহরুখ বেঁচে প্রশান্ত মহাসাগরে রকেট (ক্যাপসুল) সহ ঝাঁপ দেয় দেখে ক্যাপসুল মৃতসঞ্জীবনী অ্যাওয়ার্ড পায়। আর শাহরুখ পায় একটা এডভাইস,

স্যার,সিনেমা বানান...প্লিজ,রিলিজ করবেন না...

বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮

সন্ধ্যে

সন্ধ্যেগুলো রোজই হারে, বেলার সাথে,দিনের দৌড়ে
পথের ধারের আলোরা সব,রাতের মতই,আটপৌরে

শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

আলু

অতঃপর মহর্ষি বৈশম্পায়ন কুটিরে জন্মেজয় কে কহিলেন,শুনিয়াছি কলিযুগে আলু র বড়ই বড়াই হইবে,শ্রবনমাত্র এই প্রজাতি সম্পর্কে বড়ই ইন্টারেস্টেড হইতেছি,যদি বিশদে বলেন। শুনিয়া জন্মেজয় আলু উপাখ্যান শুরু করিলেন। জন্মেজয় কহিলেন,কলিযুগে আলু বড়ই প্রখ্যাত হইবে,গুনে বা দোষে ইহার তুল্য চিজ কেহই হইবে না। রবীনার বদলে ইহাকে অক্ষয় "মস্ত মস্ত" কহিলে অবাক হইবেন না। যাহা হউক,আলুর গুনকীর্তন করি,মন দিয়া শ্রবন করুন।
কলিযুগে আলু পলিটিকালি কারেক্ট থাকিবে,যদ্যপি কেহ কেহ ইহাকে বামপন্থী বলিয়া ভুল করিবে। বৈশম্পায়ন যৎপরোনাস্তি আশ্চর্য হইয়া বলিলেন,সামান্য সবজি রাজনৈতিক হইবে কি প্রকারে! জন্মেজয় কহিলেন,রাঙা আলুর বহিরঙ্গের লালিমা ও আলুর নামে জ্যোতি দেখিয়া সরকার পক্ষ ইহাকে কমুনিজমে দোষী সাব্যস্ত করিবে,ও ইহা দর বাড়াইতে থাকিবে।
এছাড়াও সে কালে আলু ক্রমে খাদ্যের আত্মা রূপে প্রকট হইবে,পোস্তর সাথে,পটোলের দোলমার সাথে, বরবটি প্রভৃতি র সাথে এভাবে মিশিবে যাহাতে উহাকে বাদ দিলে তরকারী মৃতবৎ হয়। আলু কোলেস্টেরল রূপে মধ্যবয়সী দাদা কে,সুগার রূপে ঠাকুমা কে, ফ্যাটের ভ্রম রূপে ঝিঙ্কু মামনীকে ও দোষ রূপে টিন এজারের আতঙ্ক হইবে।
তথাপি কমন পাবলিক আলুকে ছাড়িতে পারিবে না, কলিকালে চিপস বলে এক বস্তু আসিবে যাহাতে পাবলিক হাওয়া কিনিবে ক্রেডিট কার্ড সোয়াইপ করিয়া। বৈশম্পায়ন এর ভ্রুকুটি দেখিয়া কেস খোলসা করিয়া জন্মেজয় বলিলেন,আলুকে গোল করিয়া কাটিয়া ভাজিয়া সইফকে দিয়া প্রমোট করাইয়া এক প্যাকেট ভর্তি হাওয়ার সাথে দুইখানি চিপস ফ্রি দিয়া বিক্রি করিবে পুঁজিপতিরা, স্টেটাস দেখাইতে জনতা তাও কিনিবে গিলিবে,ঠকিবে,খিস্তি প্রদানপূর্বক আবার উহাই কিনিবে। সুকুমার রায় নামক লেখক আলু ও আলুবখরার তুলনা টেনে জনপ্রিয় পাঞ্চলাইন বানাইবেন ও শিবরাম কাঁদালুর কান্ডে খ্যাতিবৃদ্ধি করিবেন। তবে আলু পৌরুষ প্রমানের বড় মাধ্যম হইবে। বৈশম্পায়ন বলিলেন,কিরূপ? জন্মেজয় বলিলেন, শিক্ষকেরা ছাত্রদের মাথায় গাঁট্টা মারিয়া আলু তুলিলে তাতে তিনি দুর্দম প্রমানিত হইবেন। ক্যাবলা পুরুষরা আলুভাতে বলিয়া ক্যাল খাইবেন। তবে আলু নানাবিধ উপকারে আসিবে,সিদ্ধ রূপে মাছকে রিপ্লেস করিয়া বিধবা পিসিকে, মাখা রূপে হঠাৎ বাড়িতে আসা আত্মীয়কে, চোখা রূপে বিহারীকে ও দম রূপে রেস্টুরেন্টের তৃপ্তির বিধান করিবে। অর্থাৎ কলিকালে আলু অবধ্য,আপনি রনবীর দীপিকার বিবাহ উপেক্ষা করিতে পারেন কিন্তু ইহাকে উপেক্ষা করিতে পারিবেন না। জিমপ্রবণ মনুষ্য ডায়েট প্ল্যান নামক চক্রব্যূহে ইহাকে হত্যার প্রকল্প করিবেন,অচিরেই "আজকে ব্রেক" নামক অবতারে ফুচকার মধ্যস্থ,পরোটার মধ্যস্থ আলুর অবতারের হাতে নাস্তানাবুদ হইবেন ও ভুঁড়ি বাগাইবেন। এতেও যারা অবধ্য হইবেন,তারা রবিবারের পাঁঠার ঝোল নামক পয়গম্বরের হাতে সর্বস্ব উজাড় করিয়া ল্যাদ নামক লোকে চলিয়া যাইবেন...

বৈশম্পায়ন কপালে হাত ঠেকাইয়া বলিলেন,এই অসামান্য আখ্যানের পর,আসুন করজোড়ে এই আলুর স্তব করি...

বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

ছেড়ে দেওয়া

হঠাৎ করেই আত্মা বলল,আচ্ছা চলতা হুঁ,দুয়াও মে ইয়াদ রাখনা।

আপনি আঁতকে উঠলেন,সেকি রে,ভরা বার্ধক্য সবে এনজয় করছি,লাইফের মানে বুঝছি,টাকা টাকা করে,রেজাল্ট রেজাল্ট করে কাটানো জীবনে নিজের জন্য কিস্যু ছিলো না,সেখান থেকে এই চোখে ছানি,কোমর ব্যাথা চোখ খুলে দিয়েছে। ড্যাব ড্যাব করে দেখতে পাই বাসে ঝুলে,ই এম আই গুনে,ই মেলে রিপ্লাই দিয়ে,গুনে গুনে পানতো খেয়ে কি পেলুম,বরং এই বার্ধক্যে নিজের সাথে দু দন্ড কথা বলার সময় পাই,সেটাও কেড়ে নিবি ছেড়ে দিয়ে!!তুই শালা আত্মা না আচ্ছে দিন?

তবুও ছেড়ে দেওয়া আসে। নিউজিল্যাণ্ডের বিপক্ষে ৮৮ বলে ১০৩ করলেন গাওস্কর, লোকজন বাবা বাহা করার বদলে হাঁ হাঁ করে উঠলেন, "সেকি স্যার,এই ফর্মে ছেড়ে দেবেন,এ তো টপ ফর্ম", ভদ্রলোক নিজের সিদ্ধান্তে এইসান রইলেন যেন গুগাবাবার গান শুনেছেন,অ্যামাজনের অফার চলুক বা শ্রীপল্লীর ঠাকুর উদ্বোধন, তিনি নড়বেন না।

পুরুও ছাড়লেন। শুক্রাচার্যের অভিশাপে বাবা যযাতির বার্ধক্য এমন করে এল যেন শীতকালে বিরাট ইলেকট্রিক বিল। লাইভ পর্ন দেখতে পাবেন না, ওয়াকিং স্ট্রীটে হাঁটতে পারবেন না, ফেবুতে সেক্স চ্যাট করতে পারবেন না,রাজত্ব চালাতে পারবেন না ইত্যাদি হরেক সমস্যা ফেস করে একটিই সমাধান বের করলেন,ছেলের কাছে যৌবন লোন নেওয়া। পুরুও একটি ইয়ে,কোথায় ঢ্যাঁটামো করবেন, পুলিশ ভেরিফাই করে লোন নেবার ক্যাপাসিটি চেক করবেন তা না,দুম করে নিজের যৌবনটি বাবাকে এভাবে ছেড়ে দিলেন যেন তিনি আদিত্য চোপড়া,ডিরেক্টারকে নিজের পয়সায় ঠগস অফ হিন্দোস্তান বানাতে দিচ্ছেন।

রবিঠাকুর যেমন, নাইট উপাধি টা ছেড়ে দিলেন। কোথায় লোকজন বাবাঠাকুর না বলে স্যার স্যার বলে হাত কচলাতো,তা না,দুম করে নাম এর আগের সর্বনামটাকে অল্ট কন্ট্রোল ডেল করে দিলেন। ভবিষ্যতে সেই দেশের মানুষরাই ট্রেন দুর্ঘটনায় গনমৃত্যু বা ব্রিজ ভেঙে মাস মৃত্যু তে গদি না ছেড়ে মহান উদাহরন হবেন,সেই দেশে এরম ছেড়ে দেওয়া,ভাবুন একবার।

আই সি এস এর জব টা ছেড়ে দিলেন আরেক বাঙালি!!  আরে ফোর্থ পোজিশান কি রোজ রোজ হয় স্যার। পরের বার থেকে যদি কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়ে এক্সাম টাই না হয় কিংবা ক্র‍্যাশ কোর্স করার সার্টিফিকেট লাগে! চপের দোকানেও তো হেব্বি লাইন,এরম রিস্ক তো কপিল শর্মার ট্যুইটেও থাকে না। তবু তিনি নিলেন, আত্মত্যাগটা হলো ঐশ্বরিক, কিন্তু এ পোড়া দেশ সি মানুষটার মৃত্যু নিয়েও রাজনীতি করলো, যিনি ঘরের আরামের ঘুমটাও ছেড়ে দিয়েছিলেন যাতে আমরা স্বাধীন দেশে ল্যাদ খেয়ে বুকনি দিতে পারি।

নারী স্বাধীনতার চরম ধ্বজাধারীও ছাড়েন। এক চুটকি সিন্দুর কি কিমত তুম ক্যা জানো খোকাবাবু,বাবার বাড়ি ভি ছোড়না পড়তা হ্যায়। কেউ উলটো কেঁদে, চিৎকারে বলতে পারেন না,ছাড়বো,তবে এই বস্তাপচা সংস্কৃতি,বাবার বাড়ি না। ফিরবো এক সপ্তাহ এ বাড়ি,অন্য সপ্তাহ ও বাড়ি। কিন্তু জীবন তো সংসদের মত,পান থেকে চুন এডিট হলেই ঝগড়ার মেগা এপিসোড। তাই তারাও ঘর ছাড়েন,যারা বিশ্বাস করেন নারীরাই সেরা।

ছাল ছাড়িয়ে দেওয়া সমাজে,তাই ছেড়ে দেওয়াই বাস্তব। সবার উপরে ছেড়ে দেওয়া সত্য,তাহার উপরে নাই।

।। নীলাঞ্জন।।

সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮

ঢেউ ৩

প্রত্যাখাত হয় রোজ,তবু ফেরে প্রেমিকের কাছে...
ভেলাদের বুক ছুঁয়ে দেখো,ঢেউ এর দাগ লেগে আছে

ভেলা ২

দাঁড় দিয়ে ব্লক করা চ্যাট,জলেদের বাড়তি গরজ
ভেলাদের ইনবক্স জুড়ে,ঢেউ এর পিং আসে রোজ

ভেলা ১

হৃদয়ও সাগরলীনা, প্রেম তাতে পাড়ি দেয় রোজ
কেউ বলে পাগলামি,কেউ তার নাম দেয় খোঁজ

রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

ঢেউ ৫

ওভারটাইম হয় তার রোজ, তবু সে তো কাজে আসবেই
ঢেউ এর রেজিস্টারে দেখো,একটাও লাল কালি নেই

শনিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

লেফাফা

আসমানী পোস্টবক্স জুড়ে, নীল আকাশের ঠিকানাতে
ক পশলা প্রেম চিঠি রাখা,সাদা মেঘেদের লেফাফাতে

স্ক্রীন

জীবনের সওদায় রোজ, বিরতিরা নেয় সব কিনে
জ্যোৎস্নাও হারিয়েছে আজ, মোবাইলে টিভিদের স্ক্রীনে

ঢেউ ৩

তটভূমি পার্কিং যেন,সাগরের শপিং মলে,
বিকিকিনি হয় অফুরান ঢেউ এর হাজারটা স্টলে

ঢেউ ২

ঈর্ষা করে সাগর,তাই তাকায় দু চোখে হিংসে নিয়ে
বালিতটে লেখা প্রেমিকার নাম,মুছিয়েও দেয় ঢেউ কে দিয়ে

ঢেউ

সাগরেও চলে ফিসফিস,প্রতিবেশী জলেরাও বলে
আজো নাকি ঢেউ এর সাথে,তটেদের পরকীয়া চলে

বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

বাবরী

প্রেমেরা বাবরীসম,বলে যায় শুধু  চুপে চুপে
খুঁড়ে দেখো,প্রেম পাবে,হৃদয়ের ধ্বংসস্তুপে...

বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

অভিমানী

ছায়ারা চোখের কোনে,কেশরাশি ঢাকে জানি...
ফিসফিসে ঠোঁট বলে, প্রেম কর অভিমানী...

মঙ্গলবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

অ্যানিভার্সারি

বললে বিশ্বাস করবেন না...বাপের জন্মে গিন্নিকে ফুল গিফট করিনি...কারন সারপ্রাইজ দিলেই বলবে "ও বাবা এর চেয়ে অমুকটা আনলে আমার কাজে লাগত"...তাই এ যাবৎ ওনার অনুমতিক্রমে গিফট কেনা হয়েছে... শেষ কয়েক রাউন্ড ঝগড়াতে ওনার মূল এজেন্ডা ছিল..." তুমি সারপ্রাইজ দাও না"/"শেষ কবে ফুল দিয়েছো" ইত্যাদি প্রভৃতি...যতই বলি তোমার অনুমতিনিয়েই তো কেনা,আরে গয়না,ড্রেস চকলেট,কিডনি বন্ধক দিয়ে মোবাইল...সব ভুলে গেলে...দুঁদে উকিলের মতো তিনি রায় দিলেন...আমি নাকি আদৌ রোমান্টিক নই... মরিয়া হয়ে বললাম,আমার এত্ত এত্ত গার্লফ্রেন্ড,এত ডেট চুমু,আমি তাও রোমান্স জানিনা??!!!তিনি নিদান দিলেন...ওরা তোমার স্বরূপ জানে না... অতঃপর আজ,ফুল নিয়ে,নির্ধারিত সময়ের বহু আগে বাড়ি এসে,ডিনার ডেট প্ল্যান করে ফুলের তোড়া হাতে দিতে তিনি বললেন..."এ মা,ফুল...কি দরকার ছিলো,আমার তো দুটো টি শার্ট হয়ে যেত!!!!কবে থেকে বলছি!!! "

আমার আর রোমান্টিক হয়ে কাজ নেই...