হাবিজাবি কিংবা অগোছালো,আপাতত প্রোফাইলের মালিক চাপে আছে বলে বিস্তারিত দিতে অপারগ।তবে ইন্সটলমেন্টে কিছু কিছু করে দেওয়া হবে, কারন লেখার সাবসিডি নেওয়া আছে...
শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০
বিয়ে
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
এক চোরের সর্দারের কাহিনী...প্রনাম শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
একবার চল্লিশ চোরের সর্দারের সাথে দেখা হয়েছিল, সেই যার সোনার কলম...না মানে কলমটা দেখতে সাধারন, কিন্তু ওতে সোনার জলে লেখা বেরোয়...সেই কলম বোলালেই চিচিং ফাঁক...একের পর এক চোর বেরিয়ে আসে...
এ চোরেরা বড় অদ্ভুত...সর্দার তার জোব্বা থেকে বের করেন এক মায়া জাজিম, মৃত্যু রক্ত আর হতাশার পৃথিবী তাতে ঢেকে যায়, সর্দার বিছিয়ে দেন এক শান্ত দাওয়া, সেখানে কিছু চোর এসে গুড় বাতাসা খায়, আপনার সাথে সুখ দুঃখের গপ্প বলে, আর ওরা চলে গেলেই আপনি দেখেন, ফাঁকা...আপনার পকেটের শৈশব তো আর নেই... তার পর চারপাশ বড় অস্থির লাগে, আপনার পায়ে এসে বাবা মুস্তাফা সেলাই করে দেন দায়িত্ব,চাকরি,প্রমোশান, ই এম আই, ফরেন ট্যুর, মোবাইল ফেসবুক সবকিছু, আর আপনি তাপ্পি দেওয়া সেই পা ঘষ্টাতে ঘষটাতে এগিয়ে যান...চোখে কালো চশমায় ছায়া পড়ে,এক ঘুমন্ত দারোগা,কয়েকটা বোকা গ্রামবাসী,একটা কুকুর, দুটো সিড়িঙ্গে ভুত, একটা ভিনগ্রহের যান, মনোজ, নবীগঞ্জ,পাতালঘর সব্বার...কিন্তু সে ছায়া আপনি দেখতে পান না...কারন তদ্দিনে আপনি মর্জিনাকে আদেশ দিয়ছেন সবকটা চোরকে বিষাদের উত্তপ্ত তেলে পুড়িয়ে দিতে, হয়তো মর্জিনা ব্যস্ততার ছুরিও বসিয়েছে সর্দারের বুকে... এমন সময় আপনি চশমা নামান, আবার দেখেন সেই মায়া জাজিম, যা ঢেকে দেয় রক্ত ক্ষত বিষাদ, সেটার তলায় সেধোদতেই আবার চোরের দল, আবার সেই ঘুমন্ত দারোগা, দেওয়ালে গোবর নিকানো পিসি, একটা ভিতু ডাকাত আর কয়েকটা চোরকে দেখতে পান...তখনি মুচকি হাসি দেওয়া সর্দারকে দেখেন...যার জাদু কলমের আঁচড়ে আবার সিম সিম খুলে যায়...আপনি নামান আপনার আলিবাবার মুখোশ,আর দু হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরেন সেই রূপকথাকে, যা পূজাবার্ষিকীর পাতায় পাতায় আপনাকে ঝিম ধরিয়েছে...আপনার চার দিকে তখন নেচে চলেছে একের পর এক চোর,যারা আপনার জীবনের বছর মাস ঘন্টা সেকেন্ড চুরি করে জমা রেখেছে নিজেদের কাছে... সর্দারের ইশারায় সেই প্রথম চোরটা আবার আসে, মুঠো খুলে মেলে ধরে আপনার চোখের সামনে, যেখানে চকমক করে ওঠে আপনার আস্ত ছেলেবেলা... এই সর্দারের কোলে আপনি নতজানু...আপনি আটকে সেই সিম সিমের অন্দরে,দরজা খোলার মন্ত্র আপনার জানা, কিন্তু আপনি ফিরতে চান না... জন্মদিনের কুর্নিশ...শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়...যিনি না থাকলে, আমি গল্প বলতেই শিখতাম না...সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০
শাহরুখ খান
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
শন কোনারি
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০
ফেসবুক সে কালেও ছিলো
দশবিতানিয়া
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
ফর্ম্যালিটি আর বিজয়া
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
পুজো বন্ধ
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০
গালিব অনুবাদ ০২
কল্পনারা ফের গিয়েছে, সেই তোমারই পথে
হারানো হৃদয় হয়তো এসেছে, ভিড় করে ভাবনাতে
গালিবের লেখা~
Phir Tere Kooche ko Jata Hay Khyaal
Dil E Gumgashta Magar Yaad aaya
গালিব শায়েরী
Probably,this is a line written by galib...
Zindagi Yun Bhi Guzar Hi Jati
Kyun Tera RahGuzar Yaad Aya
আমি অনুবাদের চেষ্টা করলাম...
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০
প্রদীপ ঘোষ স্মরনে
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
দুর্গাপুজোর নিয়ম
যথারীতি বাঙালী দু ভাগ, পুজো হবে নাকি বন্ধ হবে...
স্বামী স্ত্রীর বন্ধুত্ত্ব
সাপ ব্যাঙের সাথে লিপকিস করতে পারে,মোদী মমতাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারে, বাঘে আর গরুতে এক টেবিলে বসে কোল্ড ড্রিংসের অর্ডার দিতে পারে, কিন্তু স্বামী স্ত্রী এর বন্ধুত্ব হতে পারে না।
নিজেকে দিয়েই শুরু করি, বিয়ের পর ভেবেছিলাম কনজিউমার ফোরামে যাবো। বিয়ের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি র কিছুই তো পাওয়া গেলো না। যেমন ধরুন, গিন্নি বলেছিলো, আমরা সারা জীবন একে অপরকে ভালোবাসবো, তোমার জন্য সবকিছু ছেড়ে দেবো। সবকিছু বাদ দিন, সকালে বাথরুম ছাড়ে না।ধরুন সকালে দুজনের একসাথে ঘুম ভাঙল, দুজনে এমন করে বাথরুম এর দিকে দৌড়ে যাই, যেন ওটা বিছানা টু বাথরুম নয়, ওলিম্পিকে ১০০মিটার রেস। সুতরাং ঐ তোমার জন্য সব ছাড়তে পারি, এটা হোয়াটস্যাপ ফরোয়ার্ড এর মত। কতটা যে সত্যি সেটা নিয়ে সন্দেহ সবসময় থাকে। অন্য বাথরুমেও যেতেই পারি, কিন্তু সেখানেও চলছে,মা আর বাবার মধ্যে বাথরুম দখলের যুদ্ধ। একটা হ্যান্ডেল ভাঙা মগ, শ্যাওলা ধরা মেঝে,ছিটকিনি খারাপ কোনের বাথরুমের এমন ডিমান্ড,যেন ওটা বাথরুম নয়, করোনার টিকা,সব্বার লাগবে,সব্বার আগে লাগবে। সম্পর্কে আগুন লাগার জন্য পরকীয়া বিপজ্জনক,কিন্তু সকালে বাথরুম আটকে রাখা,বিপজ্জনকতর।
বিছানায় যদ্দিন ভেজা তোয়ালে আর ড্রেসিং টেবলের আয়নাজুড়ে টিপ আছে,স্বামী স্ত্রীর বন্ধুত্ত্ব সম্ভব নয়। চিরুনিতে চুল থাকার কথা ৪৫বছর ধরে বলে বলেও সুরাহা করতে পারেন নি দাদু,৮৫ বছর বয়সে ডিভোর্স এর থ্রেট দিয়েছিলেন ঠাকুমা। বিয়ের পর একে অপরকে যত পরিমান থ্রেট দেন কত্তা গিন্নি,তাতে আমার স্থির বিশ্বাস জন্মেছে অগ্নীসাক্ষী করে নয় দাউদ ইব্রাহিম কে সাক্ষী করেই আসলে বিয়ে হয়। "বাপের বাড়ি চলে যাবো" এই থ্রেটে,ভয়ে কত কত্তার চুল পড়ে গিয়ে বগলে টাক পড়লো,তার হিসেব আর্ণিকা ট্রায়োফার রাখেনি।
কেউ কেউ বিয়ের আগে বলে "ওদের মতো আমাদের হবে না জানু,আমরা দুজনে বিয়ের পর অন্যদের মত ঝগড়া করবো না"...এবং বাস্তবিকই তারা অন্যদের মতো ঝগড়া করে না,অন্যদের থেকে বেশি করে...কেউ কেউ আবার কথা বলে সমাধানে বিশ্বাসী।কিন্তু কখন আলোচনা ঝগড়া হয়ে যায় ধরতে পারবেন না। কাশ্মীর সমস্যা, ব্যাটিং করার সময় সচীনের অ্যাবডোমেন গার্ডের সমস্যা, আর ফুটবল ওয়ার্ল্ডকাপ এর সময় টিভিতে সিরিয়াল না ফুটবল...এ সমস্যার সমাধান কখনো হয়েছে না হবে!!! কত্তাদের মোবাইলে লক কেন,আর গিন্নিদের লক থাকেনা কেন,এ তর্কের সমাধান, রাত্রে ঘুমোতে গেলে কে আসলে নাক ডাকে তার সমাধান,মশারি কে টাঙাবে আর কে তুলবে তার সমাধান তুম ক্যায়া জানো রমেশ বাবু...স্বামী স্ত্রী চিরকাল একই বৃন্তে দুটি কুসুম,ভারত পাকিস্তান
সুতরাং স্বামী স্ত্রীর বন্ধুত্ত্ব চাইলে পেহলে উস আদমি কা সাইন লেকে আও যো গব্বর আর ঠাকুরকা দোস্তি করায়া,উস আদমি কা সাইন লেকে আও যিসনে কঙ্গনা ঋত্ত্বিক কা দোস্তি করায়া,উস আদমি কা সাইন লে কে আও যিসনে ট্রাম্প আউর কিম জং উন কা দোস্তি করায়া,ফির ভাই,তুম যিস স্বামী স্ত্রীকা দোস্তি করাতে কহেগা,হামি উসকো বন্ধুত্ত্ব করায়গা...
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০
চয়েস
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ডিন জোনস
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ট্যুর
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
বিজয়
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
মাতাল ০১
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
জনঘনত্ব
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
পাম্প খারাপ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
দেবব্রত
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০
বিষাদের সুর
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০
দইওয়ালা
মৃত্যুর পরে বারবার আসি ফিরে
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
মানুষের কোনো দোষ নাই
রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০
ফেরা
আজকাল আমার অতীত আমাকে বড্ড কুরে কুরে খায়। একে ডিপ্রেশন বলে নাকি আত্মগ্লানি জানি না, সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করার বাসনা বা ইচ্ছে কোনোটাই নেই, তবে জীবনকে ফিরে দ্যাখা বলতে পারেন, ভুলের মুখোমুখি রোজ দাঁড়িয়ে নিজেকে চাবুক মারা বলতে পারেন, একটা সুস্থ আমি প্রতিদিন একটা অসুস্থ আমি কে দ্যাখে, আর তার খুঁতগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দ্যাখায়...
একজন ড্রাগ অ্যাডিক্ট, চেইন স্মোকার, মদ্যপ যখন জীবনে ফিরে আসতে চায়, তখন তার উইথড্রয়াল এফেক্ট হয় শুনেছি,আমি সেটা ভোগ করছি, সাথে অপরীসিম ডিপ্রেশান। না আমি সারাজীবন মদ ড্রাগ সিগারেট ছুঁওয়েও দেখিনি, কিন্তু যে অভ্যেসে আমি রাতের পর রাত কাটিয়েছি, শব্দের জগতে, আকুতির জগতে, চাহিদার ইচ্ছেয়, সেটাও স্বাভাবিক নয় এবং সেটা অনুভব করেছি দিনের পর দিন। লড়ে চলেছি রোজ, নিজেকে আরেকটু, আরেকটু ভালো করার লক্ষ্যে, চরিত্রবান করার লক্ষ্যে। কিন্তু ফেরা সর্বদা সহজ হয় না। রত্নাকর যখন পরিবারের সবার কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ভেবেছিলো যে যাদের জন্য এত করলাম, তারাই আমার কাজের ভার বা দায় নিলো না, তখন তার মনে কি হয়েছিলো, সেটা ডিপ্রেশান নাকি কুরে কুরে খাওয়া অন্তরের জ্বালা সেটা বেশ বুঝতে পারি।
কিন্তু সে যুগে রত্নাকর থেকে বাল্মীকি হওয়াটা যতটা সহজ ছিলো, এখন কি তাই? মানুষ ক্রমাগতঃ পাথর ছুঁড়ে সে চেষ্টা টা নষ্ট করে দেয় না কি? ফেরার সুযোগ কি সবাই পায়? কে তার অন্তরটা খুলে দ্যাখাতে পারে, বুক চিরে বলতে পারে যে দ্যাখো এইটা আসল আমি, মাঝে কোনো একটা চরিত্রে অভিনয় করছিলাম, মাঝে কোনোভাবে আমার আমির ভিতর ঢুকে পড়েছিলো অন্য আমি, ঐ মানুষটা আমি নই...এই প্রমাণ কজন দ্যাখে, কজন বুঝতে চায়?
জীবনের শুরুর পর্ব থেকেই আমি একজন ফার্স্ট বেঞ্চার। পাড়ার টিপিকাল ভালো ছেলে। হাসতে থাকা, সব্বাইকে হাসাতে চাওয়া এক মানুষ যার লক্ষ্য ছিলো চারপাশে যেন দুঃখ না থাকে। বাড়িতে মানসিক অসুস্থ বাবা থাকলে, অর্থের অভাব থাকলে কি যন্ত্রণা নিয়ে চলতে হয়, ভুক্তভোগী ছাড়া আর কেউ জানে না, সেটাকে দূর করার জন্য আমার বন্ধুদের সাথে পাওয়া বিকেল ছিলো, আমার ভালোবাসাকে লুকিয়ে দ্যাখা ছিলো, ভয়ে কেউ প্রপোজ করতে এলে তাকে রাখী পরিয়ে দূর করিয়ে দেওয়া ছিল...হ্যাঁ আমি বিশ্বের একমাত্র ছেলে যে অন্যকে দূরে রাখার জন্য তাকে রাখী পরিয়ে বোন বানিয়ে স্বস্তিতে থাকতাম...কারন আমার জীবনে সমস্যা ছিল, কিন্তু তাকে দূরে রাখার ভালোবাসার হাত ছিলো, বন্ধুদের সাথ ছিল। একাকীত্ব ছিলো না। কথা বলার মানুষ ছিলো।
কিন্তু সন্তানকে ছেড়ে আসা র যন্ত্রণা কি, সেটা বলে বোঝানো যায় না। অফিস থেকে বাড়ি ফিরে নিজের শহর না পাওয়া, এঁদো যায়গার বিবমিষা,কারুর সাথে কথা বলতে না পারার একাকীত্ত্ব , মেয়ে কে কল করলে সে ফোন ধরতে চাইতো না অভিমানে, সেটার কুরে কুরে খাওয়ার অভিব্যক্তি মানুষকে পশু বানাক বা না বানাক, বাঁচতে চাওয়া মানুষকে ভাগাড়ে বা অন্য কোন স্টিমুলেটারে অভ্যস্থ করায়...পরের দিন সকালে উঠে বা দিনের কোনো এক সময়ে আসা সেই পর্বটা পেরোলে এক অদ্ভুত শূণ্যতা, নিজের কাছে নিজে হেরে যাওয়ার একটা পর্ব...
আপ্রাণ চেষ্টা করে যাওয়াটা আমার চরিত্রের একটা দিক, সেটাতেই ফিরে আসা, সেটাতেই লড়ে যাওয়া...আজ যখন ফিরে আসছি আমার সেই কিশোরবেলার আমির কাছে, সেই টিপিকাল ফার্স্ট বেঞ্চারটার কাছে, সেই ভালো ছেলেটার কাছে, তার চোখে জল...ঠোঁটে অভিব্যক্তি, "কেনো করলে এরকম...বলো"...
জীবনের ফুটবল ম্যাচ কাউকে ফিরতে দ্যায়, কাউকে দেয় না...কেউ সুশান্ত হয়, কেউ অশান্ত... আমি লড়ে চলেছি, ফিরে এসেছি, তবে লড়াই এখনো বাকি, অতীতকে ধুয়ে মুছতে পারবো না, তবে নতুন করে খারাপ না করে, যদি কাউকে জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়...যদি কাউকে বলা যায়, যে,"তুমি কিন্তু এটা নও, তোমার অন্তরের মানুষটাকে চেনো"...যদি আমার জন্যে একজনও বদলাতে পারে...তাহলে সেটাই সেই হেরে যাওয়া, আয়নার সামনে মাথা নিচু করে বসে থাকা ছেলেটা হয়তো জিতে যাবে...সে আজকে চেঁচিয়ে বলছে, "আমি ফেরার চেষ্টা করছি, ওই ভালো ছেলেটার মত হবার চেষ্টা করছি, আমাকে একটু হেল্প করো..." যখন কেউ কোনো কথা শুনে ,কোন ভিডিও দেখে বলে "তোমার জন্য জীবনে ফিরলাম", কেউ যখন বলে, "আত্মহত্যা করে ফেলতাম তুমি না থাকলে"...কেউ যখন বলে ,"আমার বই বেরিয়েছে, শুধু তুমি পাশে ছিলে বলে, নইলে মরেই যেতাম"...তখন মনে হয় বলি, চেষ্টা, আমি করেছি, ভুল, আমিও করেছি, বাজে কথা, আমিও বলেছি, তবে আমি ফিরে এসেছি, বাকিরা নেবে কিনা জানিনা, বাকিরা কাছে রাখবে কিনা জানিনা, বাকিরা থুতু দেবে কিনা জানিনা, তবে আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি, ডাক্তার ওষুধ নিজের চেষ্টা কিস্যু বাদ দিই নি...আমি পারলে...তুমিও পারবে...
শুধু আমার অতীতটা দেখো না...আমার বদলে যাওয়া মানুষটাকে দেখো, যদি এটা দেখে আরো কেউ বদলানোর সাহস পায়...ভালো হবার চেষ্টা করে...ধাক্কা দিয়ে দিলে সে কিন্তু আবার পড়ে যাবে...বাকিরা চেষ্টা করতেও ভয় পাবে...এই ফেরার চেষ্টাটা যেন তোমাদের হাতটুকু পায়...
SWADHINOTA
ছ বছর বয়সে বিয়ে করে এলেন শ্বশুরবাড়িতে, এবং বারো বছর স্বামীর সাথে ঘর করার পর আবিষ্কার করলেন স্বামীকে যেতে হবে অনেক দূরে, আজকের ভাষায় লং ডিসট্যান্স রিলেশানশিপ, সিদ্ধান্ত নিলেন কষ্টের বনবাসের জীবন বেছে নেবেন।