বলতে পারো মূর্খ রেবেল,বলতে পারো চালাক ও
দোষী, তাই খিস্তি খাবে, বন্ধ্যা তিন তালাক ও
হাবিজাবি কিংবা অগোছালো,আপাতত প্রোফাইলের মালিক চাপে আছে বলে বিস্তারিত দিতে অপারগ।তবে ইন্সটলমেন্টে কিছু কিছু করে দেওয়া হবে, কারন লেখার সাবসিডি নেওয়া আছে...
রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭
তালাক
বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭
ঊনিশে এপ্রিল
থাকেন তিনি স্মৃতি জুড়ে, থাকেন তিনি দিল এ...
ঋতুপর্ন জড়িয়ে আছেন...উনিশে এপ্রিলে...
কালবৈশাখী
বোতাম খোলা কংক্রিটের বুকটাই
আজ লাকি
একলা রাতে, যাকে নিভৃতে চুমু খায় কালবৈশাখী...
মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭
প্রাক্তন
সুগন্ধীরা আটকে থাকে, ডাকটিকিটের উপর যেনও
অভ্যেসে ডাক পায় রিটায়ার্ড পোস্টম্যানও...
রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৭
অপেক্ষায়
বাড়লে বয়েস হারিয়েই যায় পৌষ মাঘের শীতও
তোমার ভালোবাসা আজও, বহুপ্রতীক্ষিত
ধার্মিক
মুখার্জী আর মোল্লা গুলো ইরেজ কোরো, প্রিয়...
ধর্ম যদি ভাঙে, ধর্মকে ডিলিট করে দিও
মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৭
শ্রাবন্তীকে
গালীব আর দোহা গুলো তোমার জন্যে~ আছে তোলা
তোমার জন্যে মিউট করেও দেখতে পারি বোকাভোলা...
রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৭
মোহনবাগান
ফিরিঙ্গি দের ডিফিট ছিলো অনেক আগে লগানের
তৃপ্তি মানে ডার্বি ম্যাচে জয় মোহনবাগানের...
শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৭
ঋতুরঙ্গ
হোম মিনিস্টার বৌমার শ্যুট চলাকালীন দুটো শটের মধ্যবর্তী ব্রেকে ফিসফিস করে মহিলা জিজ্ঞেস করলেন, নীলাঞ্জন, বলাটা ঠিক হচ্ছে তো? আমার চক্ষু স্পুটনিকে, মহিলা বলেন কি!! আমার মত এক নগন্য অ্যাঙ্কারের কাছে মতামত চাইছেন বেটার পার্ফম্যান্সের জন্য!! তাও নাকি শো চলাকালীন...!!! এই ইন্ডাস্ট্রি তে তো সবাই নিজেকে সেরা মনে করে, ভিতরে মহাশুন্য থাকলেও বাইরে দেখায় তিনিই গুগলরূপী সবজান্তা, সেই ইন্ডাস্ট্রিতে থেকে এই মহিলা নাকি জানতে চাইছেন " নীলাঞ্জন, বলাটা ঠিক হচ্ছে তো??"
এইসান পার্ফেকশানিস্ট হলেন ঋতুপর্না সেনগুপ্ত। বুম্বাদার সঙ্গে জুটি ব্রেক করার পর বাকি হিরোইনরা যেখানে ভি আর এস নেবার প্ল্যান করেন সেখানে ইনি নিজের আলাদা ব্র্যান্ডটাই প্রতিষ্ঠা করেননি, বরং মুম্বাই বাংলা নাচ অ্যাঙ্কারিং সব সামলেছেন দুরন্ত দক্ষতায়। মাথায় রাখবেন টলিউডে হিরোরাই সব, বিয়ের পরে হিরোইনরা লাইফবোটেও ভেসে থাকতে পারেন না, কিন্তু এখানেই বেগমজান আলাদা। আলাদা বলেই ওই শ্যুটিং এর মাঝে মা কে ডেকে বললেন "আপনি কি সুন্দরী ", গিন্নি কে বললেন "এত ম্যানেজ করো কিকরে, স্পেশালী নীলাঞ্জনকে"। এগুলো না বললেও তার প্রতি একই রকম মুগ্ধতা থাকত, কিন্তু ওই ছোটো ছোটো ঘটনা গুলো মহিলার আন্তরিকতা প্রকাশ করে। বোঝায়, যে ইনি আজও মাটির কাছাকাছি...বিশ্বাস করুন, সবাই এমন হয় না, আন্তরিক অ্যাপ্রোচ আর লোকদেখানোর ফারাক আজকের ডেটে বুঝতে পারি,কিন্তু ঋতুদি আলাদা...ভীষন আপন...
তবে ঋতুদির একটা মজার গল্প বলে গপ্পটা শেষ করি। ইন্ডাস্ট্রি তে ঋতুদির টাইম মেন্টেন টা মোটামুটি মিথ!!!! সেই অভিজ্ঞতা একবার হয়েছিল। ঋতুদির একটা ছবির ফার্স্ট লুক এ অ্যাঙ্কারিং করবো, ঋতুদির আসার কথা ৭:৩০এ। আমার সেদিন লেট হয়েছে আসতে,হাঁফাতে হাঁফাতে ৭ঃ৩০ এ হলে ঢুকতেই চমক,সব রেডি কিন্তু হল খালি,কেউ নেই অর্গানাইজাররা ছাড়া। রিপোর্টাররাও আসেনি। আমি ভাবছি এ কি সর্বনাশ, ঋতুদি আসবেন আর কোনো রিপোর্টার নেই!!!কি করে হয়। সেদিন অনুষ্ঠান হয়েছিল, হলে তিলার্ধ স্থান ছিলো না,যার সিংহভাগটাই ছিলেন রিপোর্টার রা। রিপোর্টার দের আসতে আসতে ৯টা বেজেছিলো, আর ঋতুদি এসেছিলেন...মাত্র সাড়ে দশটায়...
বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৭
ব্যান-ডিট জিন্স
রাহু আছে এদিক ওদিক, নজর নানান মিনসের
বোরখা, শাড়ি চলতে পারে, লাগল গ্রহন জিনসের
চরিত্রহীন Naughty সবাই, আর চঞ্চল চিত্ত
ম্যানেরা সব প্ল্যান করেছে, ব্যান করেছে আদিত্য
মেল হলেই খিস্তি দেবে, ফিমেল হলেই কিস্তিমাত
রুল ভাংলেই "খানকি জানিস", মুখে কিংবা মানকি বাত
ও পারলে শুয়েই পারে, আমার খাটার ক্রেডিট তো
ম্যানেরা সব প্ল্যান করেছে, ব্যান করেছে আদিত্য
স্কুল কলেজো ছিলো না তো, বিদ্যাসাগর ছিলেন তাই
স্মোকিং ডেটিং সেটিং মেটিং, দিচ্ছি আমরা নইলে নাই
অধিকার আর জিনস দেবো না, ব্যান করা তাই উচিত তো
ম্যানেরা সব প্ল্যান করেছে, ব্যান করেছে আদিত্য
ক্লীভেজে তাই বিষ জমেছে, ফিসফিসিয়ে বলছে জিভ
এই গরলে ঠোঁট ছোঁয়ালে, পার পাবেনা তোদের শিব
নগ্ন মায়ে চোখ নামাবি, খসবে যেদিন লালিত্য
না জেনে ম্যান প্ল্যান করেছে, ব্যান করেছে আদিত্য...
বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭
রাজকীয়
যোগী আদিত্যনাথ যেভাবে কসাইখানাদের জ্বালায়, অনেকটা সেভাবেই সেলেবদের জ্বালাচ্ছি তখন,সালটা ২০০৭। মীরাক্কেল ছেড়ে দুবাই এর বাসিন্দা, মিডিয়া ওয়ার্ল্ড কে এভাবে মিস করছি যেভাবে অস্কারকে মিস করে আমীর, এবং টেলিকলারদের মত আমার কল লিস্টের সেলিব্রিটিদের ইন্টারন্যাশানাল চার্জ খরচ ককরে ফোন করে উত্ত্যক্ত করছি। সেই সময় যে গুটিকয় মানুষ আমার ফোনে বিরক্ত হতেন না, তাদের মধ্যে একজন, রাজ চক্রবর্তী।
বলতে দ্বিধা নেই, যতটুকু কাছ থেকে দেখেছি, রাজদার মত পরিচালক খুব কম আছে ইন্ডাস্ট্রি তে। অসামান্য মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষ, মানুষ কি পছন্দ করবে সেটা হাতের তালুর মত বোঝেন। তখন বোঝেনা সে বোঝেনা বিরাট হিট। রাহুল,রাজ, প্রিয়াংকার কথা মুখে মুখে ফিরছে। এমন সময় মোবাইলে নম্বরটা দেখে চমকে গেলাম...রাজদা...
কথা বলে চমক এর বাকি ছিল। রাজদা নাকি দুবাই এ!!! দাদা বললেন, অমুক হোটেল এ আছি, চলে আয়। যেখানে থাকতাম সেখান থেকে হোটেলটা ১০মিনিট হেঁটে। হেব্বি আড্ডা হল। দাদা নাকি পরের ছবির লোকেশান দেখতে এসেছেন, বললেন, যাবি??লোকেশান দেখতে...বিরস বদনে বললুম "ইচ্ছে তো প্রবল,কিন্তু অফিস..."
পরের দিন আবার দেখা, একসাথে ডিনার, লোকেশানের ছবি দেখলাম মোবাইলে, লোকেশান বাদ দিন, হাত এর মোবাইল টা দেখছিলাম হাঁ করে, তখনকার দিনে টাচস্ক্রীন স্মার্টফোন...!!!!বললাম এই ফিল্মেও কি রাহুল?? রাজদা বললেন না, নতুন ছেলে, নাম...দেব...নায়িকাও নতুন,শুভশ্রী...ফিল্মের নাম...চ্যালেঞ্জ...
জীবনের চ্যালেঞ্জ, চড়াই উতরাই পেরিয়ে আবার আড্ডা হল,এবার বিগ এফ এম এর স্টুডিও তে...ছবি কাটমুন্ডু...বিগ এর স্টুডিওর করিডোর পেরোতে পেরোতে রাজদা আড্ডার ফাঁকে বললেন...নীলাঞ্জন, আসানসোলের নীলাঞ্জন...(যেভাবে মীরাক্কেল এ সবাই আমায় ডাকত, তখন রাজদা ডিরেক্ট করত শো টার)...হেসে বললাম, আসানসোল আর কই, লাস্ট ৫বছর কলকাতায়...রাজদা বলল তো,আমি তো এখনো হালিশহরের রাজ...
সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৭
এপ্রিল ফুল
ঠকি না, অচেনারা বাসে ট্রামে ছুঁলে
ধর্ষন রোজই হয়, পথে ঘাটে স্কুলে
শ্লীলে তাই হয় হানি, আব্রুরা যাবে জানি
কন্যেরা রোজ বাঁচে এপ্রিল ফুলে...
রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৭
মহারাজকীয়
হ্যাঁ না জানিনা বরাবরই আমার কনফিডেন্স এর যায়গা। বাগে পেলে পার্টিসিপেন্ট কে এইসান ট্র্যাপে ফেলি যেন পার্টিসিপেন্ট ঘুষখোর আর আমি নারদা!! যে কেউ খেলতে এলে জিতেই যাবো এইসান এক তুঙ্গ কনফিডেন্স নিয়েই সি এ বি তে ঢুকলাম, লক্ষ্য এক ও অদ্বিতীয় মহারাজ।
কিন্তু সি এ বি র বাসরঘরের ছিদ্র পথে অন্য সমস্যা ধেয়ে এল। একদিন পরেই ইন্ডিয়া পাকিস্থান ম্যাচ, অন্যত্র ভেনু বাতিল হয়ে ইডেনে এসেছে, ফলত দাদা হেব্বি ব্যস্ত। ইনফর্মারের কাছ থেকে খবর পেলাম, প্রথমে একটা ইন্টারন্যাশানাল টক শোতে ইন্টারভিউ, তার পর আই সি সি র সাথে মিটিং, তারপর দমকল মন্ত্রী আসবেন, তারপর সি এ বি র কি একটা ফিক্সচারে অদল বদল, তারপরে অমিতাভ কে ফোন, তারপরে কিউরেটার দের সাথে বসা, দেন বিসিসি আই এর সাথে কন কল, মোটামুটি ঘন্টা তিনেকের আগে টাইম নেই,আর এর পরে টায়ার্ড মানুষটা আর সময় দেবে কিনা সন্দেহ।
আমি তো প্রমাদ গুনছি, মানে টাইম যদিবা পাই, খেলার মুড থাকবে না হয়ত। গেমের রুল না শুনেই কোনোমতে বেরিয়ে যাবে ইচ্ছে করে হেরে গিয়ে। মানে ইন্টারভিউ মাটি...
তিন ঘন্টা ফাতনায় চোখ দিয়ে বসে রইলাম, রাত প্রায় সাড়ে দশটা নাগাদ ডাক এল। বিরাট সাদা চেম্বারের এক প্রকান্ড দরজা ঠেলে ঢুকলাম...গোলাপি শার্ট পরা সি এ বি চিফের মুখ চোখ স্পষ্টতই ক্লান্ত। প্রথমে ফর্মালিটি হল, প্রোমোর জন্য আর ইডেনের ডুস এন্ড ডোন্ট বললেন, আর আমি আবিষ্কার করলাম রেকর্ডিং বাটন অন করতে ভুলে গেছি!!!!
হাত পা ঘামছে,কি করব বুঝতে না পেরে কিছুটা ওভারস্মার্ট হয়ে ববললাম, ভালো হয়েছে বলাটা, তবে আরেকটা টেক দেবে কি, মানে এক্সপ্রেশান গুলো ঠিক...
ভাবুন একবার, ইন্টারন্যাশানাল টিভিতে যে লোকটা বকবক করে, দুনিয়ার তাবড় প্রেসকে ফেস করে তাকে আমি কিনা বলছি...এক্সপ্রেশানের ফান্ডা,
অন্য কেউ হহলে নির্ঘাত ঘাড় ধরে বাইরে নির্বাসন করে দিত, কিন্তু ইনি পুরোদস্তুর ভদ্রলোক।বললেন " আমার তো ঠিকই মনে হল"
মরিয়া হয়ে বললাম " না মানে মনে হয় টেকনিকাল চাপ,রেকর্ডার অন করতে ভুলে গেছি, প্রায় দেড় পাতার স্ক্রিপ্ট, আবার পড়লেন দাদা। মিনিট পাঁচেকের ইন্টারভিউ এর পর।
যখন সিকিউরিটি বেরোবার জন্য ইশারা করছে,তখন বললাম,"ইয়ে, মানে একটা গেম, জাস্ট এক মিনিট"
ক্লান্ত হয়ে ছেড়ে দেবার বদলে, ভদ্রলোক পুরো নিয়মটা শুনলেন, বুঝলেন,শুনলেন এই গেমে এখন অব্দি আমি অপরাজেয়, তারপর এক মিনিটে ম্যাজিক দেখলাম, যেন মুহুর্তে ক্লান্তি উধাও, যেন জয়দ্রথ বধে অর্জুন গান্ডীব তুললেন পূর্নগ্রাসের পর। চোখের জ্বলজ্বলে ভাবটা মনে করালো সেই মুহুর্ত টাকে যখন স্টিভের অশ্বমেধের ঘোড়া কে থামিয়েছিলেন আর্যপুত্র।
আমি তখনো অতটা বুঝিনি,আরে সৌরভ তো ক্রিকেটের রাজা, কিন্তু হ্যা না জানিনা তো আমার নিকুম্বিলা যজ্ঞাগার,সেখানে অন্যেরা ট্যা ফো করতে পারে না, তাছাড়া এটা মাইন্ড গেম, সারাদিনের টায়ার্ড সি এ বি প্রধান শরশয্যায় গেলেন বলে...
এক মিনিট পর, ইতিহাস!!!!
হ্যাঁ না জানিনার তিন বছরের ইতিহাসে, একজন মাত্র জয়দ্ধজার টিশার্ট উড়িয়াছিলেন...মানে গোলাপি শার্ট টা না খুলেই,যাস্ট মুচকি হেসে, তুড়ি মেরে...
সেই আড্ডা'র শেষে,হেরোপার্টিটাকে নিজের সিংহাসনের হ্যান্ডেলে সযত্নে বসিয়ে রসিয়ে পোজ দিলেন...সব্বার দাদা...!
... Sourav Ganguly Official