মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

নীরেন্দ্রনাথ

কেউ বলেছে বৃষ্টি হবে,সম্ভাবনা নিম্নচাপের
আসমান আজ একাই জানে,মেঘলা আলো মনখারাপের,

ডেস্কে সকাল রোদ ছুঁয়েছে,রইল যিশু ও ফুটপাতে
চিতা, আগুন, কাগজ, কলম...নির্দেশেদের অপেক্ষাতে

কেউ পুড়েছে মৃত্যুশোকে,কেউ নীরবে বুনছে ক্ষত
কবি থাকেন আকাশ জুড়ে,কবিতারা,তারার মত

মেঘের কাছেই ক পশলা,মনখারাপের হিসেব আছে
আসমান আজ একাই জানে, অমলকান্তি রোদের কাছে

রবিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

ফিল্ম রিভিউ :: জিরো

বাউয়া আসলে এক ডাক্তার তাই তিনি গান গাইলেই মুখ বেঁকে প্যারালাইজড অনুষ্কা নরম্যাল মুখ করে গান গায়,কারন ডিরেক্টার বলেছে প্রেমের গানে সুন্দর দেখতে লাগতে হবে,বাকি সময়টায় ক্যারেক্টার। নিউরো স্পেশালিস্ট বাউয়া আবার একজন সাইকিয়াট্রিস্ট,তাই ক্যাটরিনার মানসিক সমস্যা ভুলিয়ে দেয় সহজেই,ফ্রি তে চুমুও পায়, এর থেকে পাবলিক সহজেই বুঝতে পারে আচ্ছে দিন এসেছে...শুধু ইউ পি তে,মানে বাউয়ার বাড়িতে। এর মাঝে অনুষ্কার সাথে সেক্স ও করে ফ্যালে, কিন্তু সিনেমাতে দেখায়নি সিনটা কারন বিরাট রেগে যাবে,তাছাড়া এটা ছোটো দের সিনেমা।

আম পাবলিকের চেয়ে বাউয়া আলাদা,কারন আম পাবলিক হোলি খেলে মদ খায়,বাউয়া সারারাত মদ খেয়ে সকালে হোলি খ্যালে,তাতে হোটেলের ফ্লোর নোংরা হয়,বাউয়া অনেক টাকা কম্পেনসেট করে,হোটেলের লোকজন পষ্ট বুঝতে পারে আম্বানি কন্যের বিয়েতে খাবার সার্ভ করে বাউয়া এই টাকা টা পেয়েছে। এর পরে বাউয়া বন্ধু কে নিয়ে নাসা ঘুরতে যায়,টাকা নিয়ে কোনো চিন্তাই নেই,কারন কেকেআর জিতলে দিদি বোধহয় টাকা দেয়,যাই হোক এর মাঝে সুপারস্টার ক্যাটরিনার পায়ে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রমান করে ওয়াক্সিং প্রপার হয়েছে।

ডিরেক্টার এর মাঝে হ্যাপি ভাগ যায়েগি,ব্যান্ড বাজা ইত্যাদি দেখে টেখে বাউয়া কে বিয়ের মন্ডপ থেকে ভাগিয়ে দিয়েছে।কারন বাউয়াকে এস্ট্রোনট হতেই হবে,কারন হসপিটালে কথায় কথায় পাবলিক ডাক্তার ক্যালায়। বাউয়া তাই নিল আর্মস্ট্রং হবার প্রস্তুতি নেয়। এখান থেকেই ছবির নামকরন কারন নিল মানে জিরো।
ইতিমধ্যে আমরা জেনে গেছি শ্রীদেবীর মৃত্যুর আসল কারন,জিরো ছবিতে অভিনয় করে যে কোনও সুস্থ লোক পৃথিবী ছাড়তে চাইবেন।

মাধবন এদিকে শিম্পাঞ্জি দিয়ে অনুষ্কাকে প্রপোজ করায়। স্টেজে এস্ট্রোনটের ডেমনস্ট্রেশন এর সময় শিম্পাঞ্জিটা জিরো তে তাকে অভিনয় করানো কেনো হচ্ছে, এর জন্য প্রচুর প্রতিবাদ করে। লোকজন শিম্পাঞ্জি কামড়ালে ১৪টা ইঞ্জেকশন নিতে হবে এই ভয়ে পালায়,অথচ শিম্পাঞ্জি র ট্রেনার তাকে কনট্রোল করতে আসে না,কারন সে হয়তো ব্যাকস্টেজে কলা খাচ্ছিলো,যাই হোক,শিম্পাঞ্জির যায়গায় বাউয়া মঙ্গল গ্রহে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। কারন এর আগে চন্দ্রবিন্দু "যাবোনা মঙ্গলে না" করে অফার রিফিউজ করে আমেরিকায় খেপ ধরে ফেলেছে।

এর পরে বেশ খানিকটা গোলমাল হয়। কিছু পাবলিক হলে ঘুমিয়ে পড়ে, সলমন খান হঠাৎ করে এসে খানিক নেচে নেন। শাহরুখ রাকেশ শর্মার বায়োপিকের নেট প্র‍্যাকটিস করে নেন। অনুষ্কা বিয়ের তারিখ পেরিয়ে যাবার ভয়ে বিয়েটা সেরে নেন, কয়েকটা বেশ খারাপ গান শোনা যায়,যাতে সিংগার অরিজিৎ ও অভিজিৎ হেব্বি হাততালি দেন। অনুষ্কা বিয়ের মন্ডপ ছেড়ে শাহরুখকে সি অফ করতে আসেন,হুইল চেয়ার ড্রাইভ করে। কারন উবেরে সার্জ প্রাইস চলছিলো।

শাহরুখ মঙ্গলে পৌঁছে যান,১৫ বছর এর জার্নিতে ডায়াপারে পটি করতে করতে। এই আইডিয়া কপি করে ভারতীয় রেলে টিকিটের সাথে ডায়াপার ফ্রি দেওয়া হয় ও সমস্ত টয়লেট তুলে ফ্যালা হয়, এই সিদ্ধান্তে স্মোকার রা হেব্বি প্রতিবাদ করেন। এর মাঝে নাকি রকেট ধ্বংস হয়ে যায় কিন্তু শাহরুখ বেঁচে থাকে,কারন শাহরুখ ইশারায় তারা খসাতে পারে। এই ট্যালেন্ট দেখে মার্ভেল কমিক্স বাউয়া ভাড়া করে থ্যানোসের গ্রহকে ধ্বংস করতে। ১৫ বছর শাহরুখ থাকবে না দেখে ডিরেক্টাররা স্বস্তি পায়,পাবলিকও। সবশেষে শাহরুখ বেঁচে প্রশান্ত মহাসাগরে রকেট (ক্যাপসুল) সহ ঝাঁপ দেয় দেখে ক্যাপসুল মৃতসঞ্জীবনী অ্যাওয়ার্ড পায়। আর শাহরুখ পায় একটা এডভাইস,

স্যার,সিনেমা বানান...প্লিজ,রিলিজ করবেন না...

বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮

সন্ধ্যে

সন্ধ্যেগুলো রোজই হারে, বেলার সাথে,দিনের দৌড়ে
পথের ধারের আলোরা সব,রাতের মতই,আটপৌরে

শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

আলু

অতঃপর মহর্ষি বৈশম্পায়ন কুটিরে জন্মেজয় কে কহিলেন,শুনিয়াছি কলিযুগে আলু র বড়ই বড়াই হইবে,শ্রবনমাত্র এই প্রজাতি সম্পর্কে বড়ই ইন্টারেস্টেড হইতেছি,যদি বিশদে বলেন। শুনিয়া জন্মেজয় আলু উপাখ্যান শুরু করিলেন। জন্মেজয় কহিলেন,কলিযুগে আলু বড়ই প্রখ্যাত হইবে,গুনে বা দোষে ইহার তুল্য চিজ কেহই হইবে না। রবীনার বদলে ইহাকে অক্ষয় "মস্ত মস্ত" কহিলে অবাক হইবেন না। যাহা হউক,আলুর গুনকীর্তন করি,মন দিয়া শ্রবন করুন।
কলিযুগে আলু পলিটিকালি কারেক্ট থাকিবে,যদ্যপি কেহ কেহ ইহাকে বামপন্থী বলিয়া ভুল করিবে। বৈশম্পায়ন যৎপরোনাস্তি আশ্চর্য হইয়া বলিলেন,সামান্য সবজি রাজনৈতিক হইবে কি প্রকারে! জন্মেজয় কহিলেন,রাঙা আলুর বহিরঙ্গের লালিমা ও আলুর নামে জ্যোতি দেখিয়া সরকার পক্ষ ইহাকে কমুনিজমে দোষী সাব্যস্ত করিবে,ও ইহা দর বাড়াইতে থাকিবে।
এছাড়াও সে কালে আলু ক্রমে খাদ্যের আত্মা রূপে প্রকট হইবে,পোস্তর সাথে,পটোলের দোলমার সাথে, বরবটি প্রভৃতি র সাথে এভাবে মিশিবে যাহাতে উহাকে বাদ দিলে তরকারী মৃতবৎ হয়। আলু কোলেস্টেরল রূপে মধ্যবয়সী দাদা কে,সুগার রূপে ঠাকুমা কে, ফ্যাটের ভ্রম রূপে ঝিঙ্কু মামনীকে ও দোষ রূপে টিন এজারের আতঙ্ক হইবে।
তথাপি কমন পাবলিক আলুকে ছাড়িতে পারিবে না, কলিকালে চিপস বলে এক বস্তু আসিবে যাহাতে পাবলিক হাওয়া কিনিবে ক্রেডিট কার্ড সোয়াইপ করিয়া। বৈশম্পায়ন এর ভ্রুকুটি দেখিয়া কেস খোলসা করিয়া জন্মেজয় বলিলেন,আলুকে গোল করিয়া কাটিয়া ভাজিয়া সইফকে দিয়া প্রমোট করাইয়া এক প্যাকেট ভর্তি হাওয়ার সাথে দুইখানি চিপস ফ্রি দিয়া বিক্রি করিবে পুঁজিপতিরা, স্টেটাস দেখাইতে জনতা তাও কিনিবে গিলিবে,ঠকিবে,খিস্তি প্রদানপূর্বক আবার উহাই কিনিবে। সুকুমার রায় নামক লেখক আলু ও আলুবখরার তুলনা টেনে জনপ্রিয় পাঞ্চলাইন বানাইবেন ও শিবরাম কাঁদালুর কান্ডে খ্যাতিবৃদ্ধি করিবেন। তবে আলু পৌরুষ প্রমানের বড় মাধ্যম হইবে। বৈশম্পায়ন বলিলেন,কিরূপ? জন্মেজয় বলিলেন, শিক্ষকেরা ছাত্রদের মাথায় গাঁট্টা মারিয়া আলু তুলিলে তাতে তিনি দুর্দম প্রমানিত হইবেন। ক্যাবলা পুরুষরা আলুভাতে বলিয়া ক্যাল খাইবেন। তবে আলু নানাবিধ উপকারে আসিবে,সিদ্ধ রূপে মাছকে রিপ্লেস করিয়া বিধবা পিসিকে, মাখা রূপে হঠাৎ বাড়িতে আসা আত্মীয়কে, চোখা রূপে বিহারীকে ও দম রূপে রেস্টুরেন্টের তৃপ্তির বিধান করিবে। অর্থাৎ কলিকালে আলু অবধ্য,আপনি রনবীর দীপিকার বিবাহ উপেক্ষা করিতে পারেন কিন্তু ইহাকে উপেক্ষা করিতে পারিবেন না। জিমপ্রবণ মনুষ্য ডায়েট প্ল্যান নামক চক্রব্যূহে ইহাকে হত্যার প্রকল্প করিবেন,অচিরেই "আজকে ব্রেক" নামক অবতারে ফুচকার মধ্যস্থ,পরোটার মধ্যস্থ আলুর অবতারের হাতে নাস্তানাবুদ হইবেন ও ভুঁড়ি বাগাইবেন। এতেও যারা অবধ্য হইবেন,তারা রবিবারের পাঁঠার ঝোল নামক পয়গম্বরের হাতে সর্বস্ব উজাড় করিয়া ল্যাদ নামক লোকে চলিয়া যাইবেন...

বৈশম্পায়ন কপালে হাত ঠেকাইয়া বলিলেন,এই অসামান্য আখ্যানের পর,আসুন করজোড়ে এই আলুর স্তব করি...

বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

ছেড়ে দেওয়া

হঠাৎ করেই আত্মা বলল,আচ্ছা চলতা হুঁ,দুয়াও মে ইয়াদ রাখনা।

আপনি আঁতকে উঠলেন,সেকি রে,ভরা বার্ধক্য সবে এনজয় করছি,লাইফের মানে বুঝছি,টাকা টাকা করে,রেজাল্ট রেজাল্ট করে কাটানো জীবনে নিজের জন্য কিস্যু ছিলো না,সেখান থেকে এই চোখে ছানি,কোমর ব্যাথা চোখ খুলে দিয়েছে। ড্যাব ড্যাব করে দেখতে পাই বাসে ঝুলে,ই এম আই গুনে,ই মেলে রিপ্লাই দিয়ে,গুনে গুনে পানতো খেয়ে কি পেলুম,বরং এই বার্ধক্যে নিজের সাথে দু দন্ড কথা বলার সময় পাই,সেটাও কেড়ে নিবি ছেড়ে দিয়ে!!তুই শালা আত্মা না আচ্ছে দিন?

তবুও ছেড়ে দেওয়া আসে। নিউজিল্যাণ্ডের বিপক্ষে ৮৮ বলে ১০৩ করলেন গাওস্কর, লোকজন বাবা বাহা করার বদলে হাঁ হাঁ করে উঠলেন, "সেকি স্যার,এই ফর্মে ছেড়ে দেবেন,এ তো টপ ফর্ম", ভদ্রলোক নিজের সিদ্ধান্তে এইসান রইলেন যেন গুগাবাবার গান শুনেছেন,অ্যামাজনের অফার চলুক বা শ্রীপল্লীর ঠাকুর উদ্বোধন, তিনি নড়বেন না।

পুরুও ছাড়লেন। শুক্রাচার্যের অভিশাপে বাবা যযাতির বার্ধক্য এমন করে এল যেন শীতকালে বিরাট ইলেকট্রিক বিল। লাইভ পর্ন দেখতে পাবেন না, ওয়াকিং স্ট্রীটে হাঁটতে পারবেন না, ফেবুতে সেক্স চ্যাট করতে পারবেন না,রাজত্ব চালাতে পারবেন না ইত্যাদি হরেক সমস্যা ফেস করে একটিই সমাধান বের করলেন,ছেলের কাছে যৌবন লোন নেওয়া। পুরুও একটি ইয়ে,কোথায় ঢ্যাঁটামো করবেন, পুলিশ ভেরিফাই করে লোন নেবার ক্যাপাসিটি চেক করবেন তা না,দুম করে নিজের যৌবনটি বাবাকে এভাবে ছেড়ে দিলেন যেন তিনি আদিত্য চোপড়া,ডিরেক্টারকে নিজের পয়সায় ঠগস অফ হিন্দোস্তান বানাতে দিচ্ছেন।

রবিঠাকুর যেমন, নাইট উপাধি টা ছেড়ে দিলেন। কোথায় লোকজন বাবাঠাকুর না বলে স্যার স্যার বলে হাত কচলাতো,তা না,দুম করে নাম এর আগের সর্বনামটাকে অল্ট কন্ট্রোল ডেল করে দিলেন। ভবিষ্যতে সেই দেশের মানুষরাই ট্রেন দুর্ঘটনায় গনমৃত্যু বা ব্রিজ ভেঙে মাস মৃত্যু তে গদি না ছেড়ে মহান উদাহরন হবেন,সেই দেশে এরম ছেড়ে দেওয়া,ভাবুন একবার।

আই সি এস এর জব টা ছেড়ে দিলেন আরেক বাঙালি!!  আরে ফোর্থ পোজিশান কি রোজ রোজ হয় স্যার। পরের বার থেকে যদি কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়ে এক্সাম টাই না হয় কিংবা ক্র‍্যাশ কোর্স করার সার্টিফিকেট লাগে! চপের দোকানেও তো হেব্বি লাইন,এরম রিস্ক তো কপিল শর্মার ট্যুইটেও থাকে না। তবু তিনি নিলেন, আত্মত্যাগটা হলো ঐশ্বরিক, কিন্তু এ পোড়া দেশ সি মানুষটার মৃত্যু নিয়েও রাজনীতি করলো, যিনি ঘরের আরামের ঘুমটাও ছেড়ে দিয়েছিলেন যাতে আমরা স্বাধীন দেশে ল্যাদ খেয়ে বুকনি দিতে পারি।

নারী স্বাধীনতার চরম ধ্বজাধারীও ছাড়েন। এক চুটকি সিন্দুর কি কিমত তুম ক্যা জানো খোকাবাবু,বাবার বাড়ি ভি ছোড়না পড়তা হ্যায়। কেউ উলটো কেঁদে, চিৎকারে বলতে পারেন না,ছাড়বো,তবে এই বস্তাপচা সংস্কৃতি,বাবার বাড়ি না। ফিরবো এক সপ্তাহ এ বাড়ি,অন্য সপ্তাহ ও বাড়ি। কিন্তু জীবন তো সংসদের মত,পান থেকে চুন এডিট হলেই ঝগড়ার মেগা এপিসোড। তাই তারাও ঘর ছাড়েন,যারা বিশ্বাস করেন নারীরাই সেরা।

ছাল ছাড়িয়ে দেওয়া সমাজে,তাই ছেড়ে দেওয়াই বাস্তব। সবার উপরে ছেড়ে দেওয়া সত্য,তাহার উপরে নাই।

।। নীলাঞ্জন।।

সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮

ঢেউ ৩

প্রত্যাখাত হয় রোজ,তবু ফেরে প্রেমিকের কাছে...
ভেলাদের বুক ছুঁয়ে দেখো,ঢেউ এর দাগ লেগে আছে

ভেলা ২

দাঁড় দিয়ে ব্লক করা চ্যাট,জলেদের বাড়তি গরজ
ভেলাদের ইনবক্স জুড়ে,ঢেউ এর পিং আসে রোজ

ভেলা ১

হৃদয়ও সাগরলীনা, প্রেম তাতে পাড়ি দেয় রোজ
কেউ বলে পাগলামি,কেউ তার নাম দেয় খোঁজ

রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

ঢেউ ৫

ওভারটাইম হয় তার রোজ, তবু সে তো কাজে আসবেই
ঢেউ এর রেজিস্টারে দেখো,একটাও লাল কালি নেই

শনিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

লেফাফা

আসমানী পোস্টবক্স জুড়ে, নীল আকাশের ঠিকানাতে
ক পশলা প্রেম চিঠি রাখা,সাদা মেঘেদের লেফাফাতে

স্ক্রীন

জীবনের সওদায় রোজ, বিরতিরা নেয় সব কিনে
জ্যোৎস্নাও হারিয়েছে আজ, মোবাইলে টিভিদের স্ক্রীনে

ঢেউ ৩

তটভূমি পার্কিং যেন,সাগরের শপিং মলে,
বিকিকিনি হয় অফুরান ঢেউ এর হাজারটা স্টলে

ঢেউ ২

ঈর্ষা করে সাগর,তাই তাকায় দু চোখে হিংসে নিয়ে
বালিতটে লেখা প্রেমিকার নাম,মুছিয়েও দেয় ঢেউ কে দিয়ে

ঢেউ

সাগরেও চলে ফিসফিস,প্রতিবেশী জলেরাও বলে
আজো নাকি ঢেউ এর সাথে,তটেদের পরকীয়া চলে

বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

বাবরী

প্রেমেরা বাবরীসম,বলে যায় শুধু  চুপে চুপে
খুঁড়ে দেখো,প্রেম পাবে,হৃদয়ের ধ্বংসস্তুপে...

বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

অভিমানী

ছায়ারা চোখের কোনে,কেশরাশি ঢাকে জানি...
ফিসফিসে ঠোঁট বলে, প্রেম কর অভিমানী...

মঙ্গলবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

অ্যানিভার্সারি

বললে বিশ্বাস করবেন না...বাপের জন্মে গিন্নিকে ফুল গিফট করিনি...কারন সারপ্রাইজ দিলেই বলবে "ও বাবা এর চেয়ে অমুকটা আনলে আমার কাজে লাগত"...তাই এ যাবৎ ওনার অনুমতিক্রমে গিফট কেনা হয়েছে... শেষ কয়েক রাউন্ড ঝগড়াতে ওনার মূল এজেন্ডা ছিল..." তুমি সারপ্রাইজ দাও না"/"শেষ কবে ফুল দিয়েছো" ইত্যাদি প্রভৃতি...যতই বলি তোমার অনুমতিনিয়েই তো কেনা,আরে গয়না,ড্রেস চকলেট,কিডনি বন্ধক দিয়ে মোবাইল...সব ভুলে গেলে...দুঁদে উকিলের মতো তিনি রায় দিলেন...আমি নাকি আদৌ রোমান্টিক নই... মরিয়া হয়ে বললাম,আমার এত্ত এত্ত গার্লফ্রেন্ড,এত ডেট চুমু,আমি তাও রোমান্স জানিনা??!!!তিনি নিদান দিলেন...ওরা তোমার স্বরূপ জানে না... অতঃপর আজ,ফুল নিয়ে,নির্ধারিত সময়ের বহু আগে বাড়ি এসে,ডিনার ডেট প্ল্যান করে ফুলের তোড়া হাতে দিতে তিনি বললেন..."এ মা,ফুল...কি দরকার ছিলো,আমার তো দুটো টি শার্ট হয়ে যেত!!!!কবে থেকে বলছি!!! "

আমার আর রোমান্টিক হয়ে কাজ নেই...

বৃহস্পতিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৮

Film Review 2.0

পাখীরা মোবাইলে নেটফ্লিক্স দেখতে পারে না,তাই পৃথিবীতে মোবাইলের দরকার নেই,ফলে পক্ষীবিশারদ অক্ষয় কুমার মোবাইল টাওয়ার থেকে ঝুলে আত্মহত্যা করেন,কারন তিনি জানেন, তিনি মারা গেলে বডির ইলেকট্রন প্রোটন সরে গিয়ে বাজপাখি হয়। ব্যাস,তিনিও খিলাড়ি না করে,সিনেমার শুরুতে স্যানিটারি প্যাড বিলিয়ে,সিগারেট ফু ফু না করে মোবাইল চুরি করতে শুরু করেন। অনেক ঝড় ঝাপ্টার পরেও মোবাইল ভাঙল না,কারন কাঁচে ড্রাগন গ্লাস প্রটেক্টার ছিল।
এদিকে মোবাইল না থাকায় শহরে হেব্বি সমস্যা,ফেবু তে দেবদেবীর ফটো ৫ জন কে ফরোয়ার্ড করা যাচ্ছে না,দীপিকা রনবীরের বিয়ের ফটো শেয়ার হচ্ছে না,স্টুলিশে খিস্তি দেওয়া যাচ্ছে না,হোয়াটস্যাপে জোক পাঠানো যাচ্ছে না দেখে রজনীকান্ত নকল গাল আর টাকে চুল লাগিয়ে মন্ত্রীকে বলেন তিনি তার রোবট চিডি কে নিয়ে কাকতাড়ুয়া কাকতাড়ুয়া খেলবেন কিন্তু মন্ত্রীকে টিমে নেবেন না বলে মন্ত্রী চিডিকে এলাও করলেন না ও সেনাবাহিনী নামালেন। অন্যদিকে আর এক মন্ত্রী মোবাইল গিলে ফেললো। ডাক্তাররা বললেন মন্ত্রী দম আটকে মরবেন,তাই হল। কিন্তু স্ক্যানারে মোবাইল ধরা পড়লনা কারন ওটা এয়ারপোর্ট এর স্ক্যানার নয়,ডাক্তারদের স্ক্যানারে পাথর ধরা পড়ে।
সেকেন্ড হাফের পর অক্ষয় কুমার সেলিম আলি হয়ে গেলেন। সবাইকে হেবি বোঝালেন মোবাইল ইউজ না করে পায়রা করে পানু ফরোয়ার্ড করতে,কিন্তু পায়রা তে হোয়াটস্যাপ নেই বলে কেউ পায়রা কিনলো না।
এর মাঝে নবজাতক অক্ষয় কুমারকে একটা চড়ুইপাখি জাদু কি ঝাপ্পি দিয়ে বাঁচিয়ে দিলো,এতে চড়ুইপাখি টা মুন্নাভাই এম বি বি এস এ মুন্নাভাই এর রোল পেল। অক্ষয় কুমার মরে গিয়ে ফিজিক্স এর আত্মা হলেন।

এর পর সিনেমাটা হেব্বি লম্বা হল। পাবলিক হাই তুলছে দেখে নেতারা যা করেন,ডিরেক্টার তাই করলেন,মানে উচু উচু মূর্তি বানালেন।অক্ষয় কুমার আর রজনী স্যারেরটা বল্লভবাই এর চেয়েও বড় হল। স্টেডিয়ামে বড় রজনী বড় অক্ষয়কে প্রচুর গুলি মারলেন,তাতে অক্ষয়েরো লাগলো না আর পাবলিকেরও লাগলো না,এর থেকে বোঝা গেলো মোবাইলে আধার কার্ড লিংক থাকলে গুলি লাগে না। অক্ষয়ের আত্মা সিমকার্ডের মত রজনীর দেহে ঢুকলেন।
যাই হোক,শেষে গুলি খেয়েও রজনী বেঁচে গেলেন।এর থেকে প্রমান হল গীতা সত্যি,কারন আত্মাকে আগুন,গুলি,স্যান্ডি সাহা,কেউ হত্যা করতে পারে না। ফিল্মের শেষে পাখিদের হেল্প নিয়ে পাখি ভুত মারা হল,যার থেকে নতুন প্রবাদ বেরোলো,পাখিরাই পাখিদের শত্রু হয়।
মোবাইল ব্যবহার না করার উপদেশ দিয়ে রজনী বেরোলেন আর তার ফ্যানেরা সেই মেসেজ মোবাইলেই ফরোয়ার্ড করলেন। এভাবেই আত্মা রজনী ও মোবাইল বেঁচে রইল.

মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৮

ভাগশেষ

অংক কষেছি এক বেঞ্চিতে বসে,
এঁঠো জল আমি খেয়েছি সইফুরের
কেউ শেখায়নি আজানে আরতি ভেদ
শহর কিভাবে বন্ধু করল দুরের...

হাত জোড় করে মহাভাগে একসাথে
আগুন জ্বলেছে যজ্ঞের অরণিতে
আগুনেরা আজ আলাদা হয়েছে নাকি?
কবে ভাগ হল শহরের সরণি তে

ঈদে মহরমে কোলাকুলি একসাথে...
আজানটা আজো জানি গায়ত্রীর মত
অনেকে শেখায় দুটোর আলাদা জবান
আমার শহরে দুইই একসাথে হত

আমার টিমে জিয়াউলকেই চাই
ক্যাচ কে নেবে ওর মত বডি ছুঁড়ে
সন্ধ্যের শাঁখে কাঁধে হাত রেখে আজান
ফিরেছে বাড়ি,আজ তারা নাকি দুরের

ইস্কুল গলি, সেই ক্রিকেটের মাঠ
প্রেয়ার লাইনে টিউশান ব্যাচ ঘুরে
এই ছেলেবেলা ভাই হয়ে ছিল যারা
শহর কবে বন্ধু করল দুরের

সোমবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৮

মেরে নাম তু

অতঃপর অনুষ্কা শকুন্তলা বড়ুয়া হলেন।

তিথি নেই নক্ষত্র নেই, দোলের আগে নারায়ন পুজো নেই কিংবা ওরে গৃহবাসী কাটিং গাঁদা ফুল নেই,হঠাৎ কেজিখানেক আবির পিচকিরি দিয়ে এদিক ওদিক ছড়িয়ে "খেলবো হোলি রঙ দেবো না" মোডে শাহরুখ... আরে বাবা এই জন্যই বলে, হোয়াট অপর্না সেন থিংকস টুডে, কিং খান টুমরো।

হাইজিন বোধ নেই,দূষনের ভয় নেই, হঠাৎ আবির দিলেই হল!! মেয়েটা এমনিতে অসুস্থ, ওর যদি এলার্জি হয়?যদি ওর "ফেফড়ো মে,টার" জন্মে যায়।হতে তো পারে ওর ডাক্তারের মানা আছে। কিংবা ওর রঙ ভালো লাগে না,আর এ আবার কি অসভ্যতা একটা মেয়েকে দিয়ে গালে রঙ লাগিয়ে দেওয়া,এ তো আগেকার দিনে হত,রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিঁদূর পরিয়ে দেওয়া,ওসব এখন চলে না,এখন কন্ডোমেও আধার কার্ড লাগে দাদা। বাই দ্য ওয়ে আপত্তি তো থাকতে পারে বিল্ডিং কর্তৃপক্ষেরও...যে...যেখানে সেখানে পিক ও রঙ ফেলিবেন না। এই স্বচ্ছ অভিযানের যুগে অমন সুন্দর একটা বাড়ি নোংরা করলেই হল???না হয় দিদির ভাই,ত বলে সব বিল্ডিং রাঙিয়ে দিলেই ট্যাক্স ফ্রি হবে নাকি রে বাবা।

দ্বিতীয়ত, স্যুট পরে হোলি খেলা বাপের জন্মে দেখিনি। যদি ভুল করে সলমনের সাথে খেলতেন,স্যুট ছিঁড়ে খালি গায়ে মটকা ভাঙার ক্র‍্যাশ কোর্স করতে হত। বড়লোকি চাল দ্যাখানোর যায়গা পেলেন না, যার সামনে দ্যাখাচ্ছেন তার হাসব্যাণ্ডের ইচ্ছে হলে মান্যবরের পাঞ্জাবি পরে হোলি খেলতে পারে,সেটা জানেন তো???

তৃতীয়, মেরে বিন তু না হোগি বলার জন্য তুড়ুক লাফ দিলে কি বাড়তি ওজন পাওয়া যায়??প্রেম করছেন করুন,অত লাফানোর কি আছে,আজ বাদে কাল ব্রেক আপ হলে তো ফেবু তে ফিলিং লোনলী,একা আর পারছি না টাইপ স্টেটাস দেবেন... আর আপনি জিরো না সের্গেই বুবকা,কথায় কথায় অত লাফানোরই বা কি আছে। বলা তো যায় না, যা দিনকাল তাতে হঠাৎ আপনার নাম বদলে বজরংবলী রেখে দিলে কে দায় নেবে???কেজরীওয়াল???

শনিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৮

চরিত্রহীন ৪৯

কেউ ছোটোতেই খুব পেকে যায়, কেউ বলে..."চুমু??সেই কবে এ এ এ এ"
কেউ কেউ বলে, ডেট চুমু,না না, "কেউ দেখে নিলে, কি হবে?"

শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮

একা

তোমার লাইফজোড়া ফাইট, তোমার স্ট্রাগলগুলো জানা
তুমি ভাঙাপথেই চুমু,আমি রাস্তাতে তালকানা
তাও সন্ধ্যে আসে নেমে, আমার নিজের চোখে দ্যাখা
চোখে ফুলঝুরিদের আলো...তুমি ব্যালকনিতে একা

শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৮

ঠগস অফ

খুদাবক্স জাহাজি বেসিক্যালি একজন ফাইটার মাল্লা,ক্যাপ্টেন হ্যাডকের মত দাড়ি রেখে,লম্বা লম্বা ডায়লগ মুখস্ত বলেন। যেটা দেখে পষ্ট বোঝা যায়,বড় হয়ে উনি সিরিয়াল করবেন এবং তার শাশুড়ি তাকে দেখে বলবেন,বাবা খুদাবক্স,তুমি এয়েচো,যাই হোক...পেশায় খুদাবক্স একজন জলদস্যু কিন্তু সে গোটা সিনেমায় কিস্যু ডাকাতি করে না,শুধু ইংরেজদের একটা জাহাজ উড়িয়ে দেয়। ইংরেজরা এনাকে বাগী বলেন,কিন্তু টাইগার শ্রফ আছেন বলে উনি বাগী হতেও বেশি ইন্টারেস্ট দেখান না।সংসার যশরাজের পয়সায় চলে বলে তিনি ডাকাতি ফাকাতি করেন না,একটা গুহা টাইপ যায়গায় থাকেন,টাকা পয়সা গোলা বারুদ কিস্যুতে তার লোভ নেই,সে শুধু ইংরেজ জাহাজ কে ওলা অ্যাপে ডাকেন আর উড়িয়ে দেন,এর থেকে বোঝা যায় সে একজন আদার ব্যাপারী,জাহাজে তার কোনো ইন্টারেস্ট নেই।

ফিরঙ্গী মাল্লা সেকালের শীতলা ঠাকুর,তাই গাধা তার বাহন। রনবীর সিং এর ফ্যান বলে তিনি গোঁফ রাখেন, স্যাটাস্যাট লোক ঠকান,তৃনমূল করেন বোধহয় কারন তার লন্ডন হেবি পছন্দের,ইংরেজদের কথায় খুদাবক্স অমিতাভ কে ধরাতে যান,কিন্তু অমিতাভের লেকচার শুনে ব্রেনে কেমিক্যাল লোচা হয়ে যায়,এবং তিনি অমিতাভের সাথে একসাথে জমি চাষ করতে শুরু করেন। দুজনের হাইটের ডিফারেন্স থাকা সত্ত্বেও কিকরে তারা কাঠের গুঁড়িকে হাল বানিয়ে টানেন সেটা বুঝতে কল্যানী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষনা হবে। যাই হোক,তাদের এই চেষ্টায় অনুর্বর জমিতে ফলন হয়,এবং বচ্চনের পোষা চিল সেটাকে দেখে ফ্যালে,এর থেকে প্রমানিত হয় চিলেরা আসলে লোন নেওয়া চাষী,লোন শোধ করতে না পেরে মাংস খায়।

এদিকে ক্যাটরিনা কোত্থেকে হটপ্যান্ট জোগাড় করে দু টো নাচ নেচে ফেলেছে,বোধহয় অনলাইনে অর্ডার করেছিল। সে আমলে ভারতে হটপ্যান্ট পাওয়া যেত দেখেই যে ইংরেজরা ভারত আক্রমন করেছিল সেটা বোঝা যায়। আমির খান উইগ পরে,কালো গোঁফ সাদা করে ইংরেজ সেজে ইংরেজদের চড় মারতে মারতে নাচে,সবাই ক্যাটরিনার আইটেম ডান্স ও সলমন খানের ভয়ে চড় সহ্য করে নাচে। অতঃপর ক্যাটরিনা আমিরকে মনে মনে ভালোবেসে ফ্যালে,এবং অনলাইনে বোধহয় হরলিক্স অর্ডার দেয়,কারন আমিরের হাইট বাড়াতে হবে।

এদিকে শুরুতেই ক্লাইভ সিরাজকে ছেড়ে,পলাশী ভুলে দুবাই এর অ্যাটলান্টিস এর পাশে এক রাজাকে লুটতে আসে। রাজার ছেলেকে কামানের সামনে রেখে সে উইলে সব সম্পত্তি নিজের নামে করে নেয়,রাজাও ওই কয়েকটা ইংরেজকে না কেলিয়ে,বন্দুকের ডগায় ক্লাইভকে রেখেও সব সম্পত্তি লিখে দেয়,কারন সে না মরলে খুদাবক্স একা সবকটা ইংরেজকে হটিয়ে তার মেয়েকে বাঁচিয়ে নিয়ে গিয়ে তীরন্দাজি শেখাতে পারবে না। খুকি ১১ বছর পর অ্যাভেঞ্জার্স দেখে ওভাবে তীর চালায় এবং খুদাবক্স এর কাছ থেকে ভুরুতে বোরোলীন লাগায়। খুদাবক্স তাকে বলে কাটা দাগ সেরে যাবে,কারন তার পতঞ্জলী প্রোডাক্ট খুব ভালো,এই ১১বছরে একটাও দাড়ি পাকেঞ্জ তার। এর মাঝে আমির খান কায়দা করে এদের গ্রুপে জয়েন করে খানিক নেচে নেয়। এবং খুকি কে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে ব্লক খায়।

এর মাঝে কিছুটা হুলুস্থুলু হয়, আমির তার বন্ধুকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনে,মদের পিপেতে ডুবে পালায়,ইংরেজ নাকি আজাদ কি হবে সেটা নিয়ে প্রচুর টাগ অফ ওয়ার হয়। ডিরেক্টার ও বুঝতে পারেন নি বাগি র পর তিনি রেস ৪ বানাবেন কিনা,যাই হোক আবার এর মাঝে ঠগ শুরু হয় এবং অমিতাভ গুলি ফুলি খেয়ে ক্যালানের মত বারুদ ভর্তি জাহাজে থেকে উড়ে যান।

এর পরেও প্রচুর ডায়লগ হয়। আমির দেখান যে তিনিও অমিতাভের মত মুখস্ত করতে পারেন,ফলে তিনিও ফাগুন বৌ এ ডাক পান এবং মিষ্টির ব্যাবসা শুরু করে জেলে সাপ্লাই করেন। শেষে ক্লাইভ বোধহয় মারা যান এবং সিরাজউদ্দৌলা হাঁপ ছেড়ে বেঁচে সিরিয়ালে জয়েন করেন। এতে সিরিয়ালের টি আর পি বাড়ে,কিন্তু সিনেমাটা জিরো হয়,যদিও শাহরুখ খুশি হন,কারন এতে জিরো ফিল্মের প্রভূত প্রমোশান হয়। পাবলিক এর পার্ট টু আসবে ভেবে হাসিমুখে হল ছেড়ে বেরোন,এই আনন্দে যে পরের বার লন্ডনে বা কোলকাতা তে এর শ্যুটিং হলে এদের বাগে পেয়ে আচ্ছে করে ক্যালানো যাবে!!!!!