পাখীরা মোবাইলে নেটফ্লিক্স দেখতে পারে না,তাই পৃথিবীতে মোবাইলের দরকার নেই,ফলে পক্ষীবিশারদ অক্ষয় কুমার মোবাইল টাওয়ার থেকে ঝুলে আত্মহত্যা করেন,কারন তিনি জানেন, তিনি মারা গেলে বডির ইলেকট্রন প্রোটন সরে গিয়ে বাজপাখি হয়। ব্যাস,তিনিও খিলাড়ি না করে,সিনেমার শুরুতে স্যানিটারি প্যাড বিলিয়ে,সিগারেট ফু ফু না করে মোবাইল চুরি করতে শুরু করেন। অনেক ঝড় ঝাপ্টার পরেও মোবাইল ভাঙল না,কারন কাঁচে ড্রাগন গ্লাস প্রটেক্টার ছিল।
এদিকে মোবাইল না থাকায় শহরে হেব্বি সমস্যা,ফেবু তে দেবদেবীর ফটো ৫ জন কে ফরোয়ার্ড করা যাচ্ছে না,দীপিকা রনবীরের বিয়ের ফটো শেয়ার হচ্ছে না,স্টুলিশে খিস্তি দেওয়া যাচ্ছে না,হোয়াটস্যাপে জোক পাঠানো যাচ্ছে না দেখে রজনীকান্ত নকল গাল আর টাকে চুল লাগিয়ে মন্ত্রীকে বলেন তিনি তার রোবট চিডি কে নিয়ে কাকতাড়ুয়া কাকতাড়ুয়া খেলবেন কিন্তু মন্ত্রীকে টিমে নেবেন না বলে মন্ত্রী চিডিকে এলাও করলেন না ও সেনাবাহিনী নামালেন। অন্যদিকে আর এক মন্ত্রী মোবাইল গিলে ফেললো। ডাক্তাররা বললেন মন্ত্রী দম আটকে মরবেন,তাই হল। কিন্তু স্ক্যানারে মোবাইল ধরা পড়লনা কারন ওটা এয়ারপোর্ট এর স্ক্যানার নয়,ডাক্তারদের স্ক্যানারে পাথর ধরা পড়ে।
সেকেন্ড হাফের পর অক্ষয় কুমার সেলিম আলি হয়ে গেলেন। সবাইকে হেবি বোঝালেন মোবাইল ইউজ না করে পায়রা করে পানু ফরোয়ার্ড করতে,কিন্তু পায়রা তে হোয়াটস্যাপ নেই বলে কেউ পায়রা কিনলো না।
এর মাঝে নবজাতক অক্ষয় কুমারকে একটা চড়ুইপাখি জাদু কি ঝাপ্পি দিয়ে বাঁচিয়ে দিলো,এতে চড়ুইপাখি টা মুন্নাভাই এম বি বি এস এ মুন্নাভাই এর রোল পেল। অক্ষয় কুমার মরে গিয়ে ফিজিক্স এর আত্মা হলেন।
এর পর সিনেমাটা হেব্বি লম্বা হল। পাবলিক হাই তুলছে দেখে নেতারা যা করেন,ডিরেক্টার তাই করলেন,মানে উচু উচু মূর্তি বানালেন।অক্ষয় কুমার আর রজনী স্যারেরটা বল্লভবাই এর চেয়েও বড় হল। স্টেডিয়ামে বড় রজনী বড় অক্ষয়কে প্রচুর গুলি মারলেন,তাতে অক্ষয়েরো লাগলো না আর পাবলিকেরও লাগলো না,এর থেকে বোঝা গেলো মোবাইলে আধার কার্ড লিংক থাকলে গুলি লাগে না। অক্ষয়ের আত্মা সিমকার্ডের মত রজনীর দেহে ঢুকলেন।
যাই হোক,শেষে গুলি খেয়েও রজনী বেঁচে গেলেন।এর থেকে প্রমান হল গীতা সত্যি,কারন আত্মাকে আগুন,গুলি,স্যান্ডি সাহা,কেউ হত্যা করতে পারে না। ফিল্মের শেষে পাখিদের হেল্প নিয়ে পাখি ভুত মারা হল,যার থেকে নতুন প্রবাদ বেরোলো,পাখিরাই পাখিদের শত্রু হয়।
মোবাইল ব্যবহার না করার উপদেশ দিয়ে রজনী বেরোলেন আর তার ফ্যানেরা সেই মেসেজ মোবাইলেই ফরোয়ার্ড করলেন। এভাবেই আত্মা রজনী ও মোবাইল বেঁচে রইল.