আমাদের অফিসে মুনমুন সেনের বেড টি রাখুন,কেউ শুঁকেও দেখবে না,মিনারেল গো মূত্র রাখুন, কনস্টিপেশানে শয্যাশায়ী কলিগ চেখেও দেখবে না,বিকিনিতে সানি মামনি রাখলে তা ফেলে লোকে পিপিটিতে মুখ গুঁজবে। কিন্তু অরক্ষিত ডটপেন রাখুন,মুহুর্তে কিডন্যাপড। সামান্য এক ডটপেনের জন্য যে পরিমানে নিরাপত্তা রাখা হয় অফিসে,তাতে মোদীজির জেড প্লাস ক্যাটাগরিও হার মানবে। তবু আমাদের অফিসে ডটপেন চুরি যায়। কারন ট্যালেন্ট,চুলকানি আর চুরিকে ঠেকানো যায় নি যাবেও না।
প্রোটেকশান?আছে...অফিসে যতগুলো ক্যামেরা আছে,তার খরচে এমপ্লয়িদের ডটপেনে স্নান করিয়ে দেওয়া যেত, সিকিউরিটি গাড়ির ডিকি ও বুকপকেট চেক করে নেন, এতে পেনচুরি কমেনি, তবে পরকীয়া কমেছে। পকেট সার্চে কোহিনূর ধরা পড়ার পর থেকে পাবলিক আতঙ্কে কম বৌদিপ্রবন। অতঃপর এক জ্ঞানী বানী দিলেন, " প্রোটেকশন সব নয়,আরে বাবা,গোলকীপার থাকলেও তো গোল হয়। প্রোটেকশানেই যদি সব হত তাহলে কি কন্ডোম ফাটা গালিটার সৃষ্টি হত??"
তাই আমি বের করেছি অন্য প্রথা। ইংকপেন। বারোয়ারী ডটপেন চুরির বাজারে, চুরি ঠেকানোর নিনজা টেকনিক।
পেনপ্রেমী ঝরনা কলমে লেখা প্রেফার করে না বোধহয়...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন