শনিবার, ৮ জুন, ২০১৯

জামাইষষ্ঠী

অতঃপর বয়স্ক,কিছু কিছু ক্ষেত্রে রিটায়ার্ড শ্বশুরের টাকায় জামাইষষ্ঠীর ধ্যাষ্টামো চালু হল...আজকে জামাইরা এইসান প্রায়োরিটি পাবেন যেন তারা তাজমহলে ওবামা,দুর্গাপুজোয় বিরেন ভদ্র, আলুপোস্ততে আলু কিংবা যিশু, কলতলাতে লাইন,মানে আজকের দিনে জামাই ধ্যান জামাই জ্ঞান, জামাই হেবি লাকি/জামাইকে না গেলালে হ্যাপিনেস আসে নাকি...

মা ষষ্টীঠাকরুন এমনিতে বেশ জাগ্রত, হ্যারি পটারের ডলোরাস অ্যামব্রিজের মত রাগী, যদিও প্রচারবিমুখ তাই খোকা খুকুদের (ধাড়ি কিংবা কচি) সেফ রেখেও ফেসবুকে সেফ মার্কিং করেন না, তা তিনি হঠাৎ জামাইদের ক্যালোরিবৃদ্ধির জন্য তৎপর হলে কেন,সেটা নিয়ে পষ্ট কোনো নিদান জিমখানা তে পেলাম না,তাই ধরে নিচ্ছি এটি তৎকালীন কোনো এক উর্বরমস্তিষ্ক জামাই বা শ্বশুরের স্ট্র‍্যাটেজি, যে ইনডাইরেক্ট ঘুষ দাও জামাইকে, তবে যদি তিনি কন্যাকে সেফ রাখেন। সবার ভাগ্য তো আর করিনার মত হয় না,কেউ কেউ অমৃতা সিং ও হন।

শুনেছি বহুবিবাহ,বা বাল্যবিবাহের যুগে নাকি বয়স্ক জামাইদের আয়ুবৃদ্ধির জন্য এই প্রথা। তা এ যুগে তো প্রসেনজিৎ শ্রাবন্তীর সমান অধিকার। তাহলে রীতি বদলাবেই বা না কেন?

ময়মনসিংহ এলাকায় নাকি নারী ও পুরুষ উভয়েরই খাতির হয়। বরন করা হয়,বট অশ্বত্থের মত আয়ুবেশি এমন গাছেদের শাখা পাতা, পাথরের বাটিতে জল রেখে আশীর্বাদ করা হয় জামাই কন্যে বৌমা সকলকেই। তা এইরকম একটা রীতি সর্বস্তরে চালু হোক না।

একপক্ষ বাঁশপাতা চিবোবে,অন্যজন মাটন, এর চেয়ে এক সাথে সবাই রেস্টুরেন্ট যাক, বা বাড়িতে ভিয়েন বসুক। শ্বশুর নয়, সমর্থ জামাই-কন্যে, পুত্র সব্বাই ভাগ করে নিক স্যুইগির বিল। হাসি ঠাট্টা আনদে কাটুক সময়...সেটা হোক না...মন্দ কি...

নইলে চালু হোক বৌমাষষ্ঠী। জামাইরা ও বৌমারা তাদের শ্বশুরবাড়িতে ফোঁটা নিতে যান। জামাইকে শ্বাশুড়ি আর বৌমাকে শ্বশুরমশাই,উপোস করে আসনপেতে বসিয়ে খাইয়ে আশীর্বাদ করে করুক উদযাপন। পাঁজিতে বদল আসুক। পুরোহিতরা নিদান দিক, বৌমাকে বরন না করলে, লক্ষ্মী কুপিতা হবেন,যেমন জামাইকে না করলে ষষ্ঠী। হোক জীবনের সুর বদল...কি বলেন???

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2348386075403260&id=1396696263905584

কোন মন্তব্য নেই: