অতঃপর অনুষ্কা শকুন্তলা বড়ুয়া হলেন।
তিথি নেই নক্ষত্র নেই, দোলের আগে নারায়ন পুজো নেই কিংবা ওরে গৃহবাসী কাটিং গাঁদা ফুল নেই,হঠাৎ কেজিখানেক আবির পিচকিরি দিয়ে এদিক ওদিক ছড়িয়ে "খেলবো হোলি রঙ দেবো না" মোডে শাহরুখ... আরে বাবা এই জন্যই বলে, হোয়াট অপর্না সেন থিংকস টুডে, কিং খান টুমরো।
হাইজিন বোধ নেই,দূষনের ভয় নেই, হঠাৎ আবির দিলেই হল!! মেয়েটা এমনিতে অসুস্থ, ওর যদি এলার্জি হয়?যদি ওর "ফেফড়ো মে,টার" জন্মে যায়।হতে তো পারে ওর ডাক্তারের মানা আছে। কিংবা ওর রঙ ভালো লাগে না,আর এ আবার কি অসভ্যতা একটা মেয়েকে দিয়ে গালে রঙ লাগিয়ে দেওয়া,এ তো আগেকার দিনে হত,রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিঁদূর পরিয়ে দেওয়া,ওসব এখন চলে না,এখন কন্ডোমেও আধার কার্ড লাগে দাদা। বাই দ্য ওয়ে আপত্তি তো থাকতে পারে বিল্ডিং কর্তৃপক্ষেরও...যে...যেখানে সেখানে পিক ও রঙ ফেলিবেন না। এই স্বচ্ছ অভিযানের যুগে অমন সুন্দর একটা বাড়ি নোংরা করলেই হল???না হয় দিদির ভাই,ত বলে সব বিল্ডিং রাঙিয়ে দিলেই ট্যাক্স ফ্রি হবে নাকি রে বাবা।
দ্বিতীয়ত, স্যুট পরে হোলি খেলা বাপের জন্মে দেখিনি। যদি ভুল করে সলমনের সাথে খেলতেন,স্যুট ছিঁড়ে খালি গায়ে মটকা ভাঙার ক্র্যাশ কোর্স করতে হত। বড়লোকি চাল দ্যাখানোর যায়গা পেলেন না, যার সামনে দ্যাখাচ্ছেন তার হাসব্যাণ্ডের ইচ্ছে হলে মান্যবরের পাঞ্জাবি পরে হোলি খেলতে পারে,সেটা জানেন তো???
তৃতীয়, মেরে বিন তু না হোগি বলার জন্য তুড়ুক লাফ দিলে কি বাড়তি ওজন পাওয়া যায়??প্রেম করছেন করুন,অত লাফানোর কি আছে,আজ বাদে কাল ব্রেক আপ হলে তো ফেবু তে ফিলিং লোনলী,একা আর পারছি না টাইপ স্টেটাস দেবেন... আর আপনি জিরো না সের্গেই বুবকা,কথায় কথায় অত লাফানোরই বা কি আছে। বলা তো যায় না, যা দিনকাল তাতে হঠাৎ আপনার নাম বদলে বজরংবলী রেখে দিলে কে দায় নেবে???কেজরীওয়াল???
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন