যোগী আদিত্যনাথ যেভাবে কসাইখানাদের জ্বালায়, অনেকটা সেভাবেই সেলেবদের জ্বালাচ্ছি তখন,সালটা ২০০৭। মীরাক্কেল ছেড়ে দুবাই এর বাসিন্দা, মিডিয়া ওয়ার্ল্ড কে এভাবে মিস করছি যেভাবে অস্কারকে মিস করে আমীর, এবং টেলিকলারদের মত আমার কল লিস্টের সেলিব্রিটিদের ইন্টারন্যাশানাল চার্জ খরচ ককরে ফোন করে উত্ত্যক্ত করছি। সেই সময় যে গুটিকয় মানুষ আমার ফোনে বিরক্ত হতেন না, তাদের মধ্যে একজন, রাজ চক্রবর্তী।
বলতে দ্বিধা নেই, যতটুকু কাছ থেকে দেখেছি, রাজদার মত পরিচালক খুব কম আছে ইন্ডাস্ট্রি তে। অসামান্য মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষ, মানুষ কি পছন্দ করবে সেটা হাতের তালুর মত বোঝেন। তখন বোঝেনা সে বোঝেনা বিরাট হিট। রাহুল,রাজ, প্রিয়াংকার কথা মুখে মুখে ফিরছে। এমন সময় মোবাইলে নম্বরটা দেখে চমকে গেলাম...রাজদা...
কথা বলে চমক এর বাকি ছিল। রাজদা নাকি দুবাই এ!!! দাদা বললেন, অমুক হোটেল এ আছি, চলে আয়। যেখানে থাকতাম সেখান থেকে হোটেলটা ১০মিনিট হেঁটে। হেব্বি আড্ডা হল। দাদা নাকি পরের ছবির লোকেশান দেখতে এসেছেন, বললেন, যাবি??লোকেশান দেখতে...বিরস বদনে বললুম "ইচ্ছে তো প্রবল,কিন্তু অফিস..."
পরের দিন আবার দেখা, একসাথে ডিনার, লোকেশানের ছবি দেখলাম মোবাইলে, লোকেশান বাদ দিন, হাত এর মোবাইল টা দেখছিলাম হাঁ করে, তখনকার দিনে টাচস্ক্রীন স্মার্টফোন...!!!!বললাম এই ফিল্মেও কি রাহুল?? রাজদা বললেন না, নতুন ছেলে, নাম...দেব...নায়িকাও নতুন,শুভশ্রী...ফিল্মের নাম...চ্যালেঞ্জ...
জীবনের চ্যালেঞ্জ, চড়াই উতরাই পেরিয়ে আবার আড্ডা হল,এবার বিগ এফ এম এর স্টুডিও তে...ছবি কাটমুন্ডু...বিগ এর স্টুডিওর করিডোর পেরোতে পেরোতে রাজদা আড্ডার ফাঁকে বললেন...নীলাঞ্জন, আসানসোলের নীলাঞ্জন...(যেভাবে মীরাক্কেল এ সবাই আমায় ডাকত, তখন রাজদা ডিরেক্ট করত শো টার)...হেসে বললাম, আসানসোল আর কই, লাস্ট ৫বছর কলকাতায়...রাজদা বলল তো,আমি তো এখনো হালিশহরের রাজ...
হাবিজাবি কিংবা অগোছালো,আপাতত প্রোফাইলের মালিক চাপে আছে বলে বিস্তারিত দিতে অপারগ।তবে ইন্সটলমেন্টে কিছু কিছু করে দেওয়া হবে, কারন লেখার সাবসিডি নেওয়া আছে...
বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭
রাজকীয়
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন