আমরা বকবকে যাকে সাইড করে উপেক্ষা করি,অ্যাপ্লিকেশানে যাকে ডিলিট করি,বিহারে বা ইউ পির বন্ধুর সাথে যাকে মিশিয়ে চমৎকার হাঁশজারু ভাষা সৃষ্টি করে বোলতা কো বোলতা বলে বিস্ময়সূচক চিহ্ন তয়ের করি এবং মাতৃভাষা দিবসের দিন হেব্বি আদেখলে পনা করে যার গলাজড়িয়ে ফেলি,তাইই বাংলা ভাষা...
পার্টিতে যে ভাষায় কথা বললে আপনার সুন্দরী জোটে না,মিটিং এ যে ভাষায় কথা বললে পাবলিক পাতে ওঠে না,সেমিনারে যে ভাষায় কথা বললে হাততালির ফোয়ারা ছোটে না, তাইই বাংলাভাষা। বাংলা তাই বং গাই এর মত জনপ্রিয়,কিন্তু হিরো আলমের মত স্টেটাস,দেখি,হাসি,হিরোও বলি,কিন্তু প্রসেনজিৎ বানাই না।
দারুন চড়বড় করে কথা বলার মাঝে হঠাৎ একটা অর্থাৎ জুড়ে দিলেই আপনি নামাবলী বামুন,কিছুতেই হাই ফাই সাদা জোব্বা ফাদার নন,কিন্তু যদি মাঝে সড়াৎ করে একটা "ইউ নো" গুঁজে দেন, অর্ধেক বাংলা বলতে বলতে বাকি সেনটেন্স টা ইংরেজি তে বলে ফ্যালেন,মানুষ তাদের মনমন্দিরে আপনাকে বল্লভভাই সম লম্বা মূর্তি বানিয়ে তার অঞ্জলির মন্ত্রও বানিয়ে বলবে "লোকটা কি ভালো কথা বলে না,কি জ্ঞান!!"
তাই আজও বাংলা,কুন্ঠিত জেনারেল কাস্ট,তার রিজার্ভেশান নেই,কৌলিন্য পাকিস্থানের বিদেশী অনুদান, মানে ছিল,কিন্তু কমছে,কিছু মানুষ হেব্বি তার পক্ষে বলেন বটে কিন্তু শপিং মল, অফিস, রেস্টুরেন্ট, এয়ারপোর্ট ও অন্যান্য এসিপ্রবন এলাকায় বাই ডি ফল্ট,ইংরেজি মোডে চলে যান,যুগে যুগে তাই বাঙালির জয়গান হয়,কাব্যে সাহিত্যে তর্কে,কিন্তু ঝগড়ার তুঙ্গ মুহুর্তে বা মদ্যপানে,বাঙালির মধ্যে থেকে লর্ড কার্জনের আত্মা বেরিয়ে আসে,এবং ইংলিশ মাল খেয়ে তো
বটেই এমনকি বাংলা খেয়েও,পাবলিক ইংরেজি বলে।
।। নীলাঞ্জন।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন